শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বিকাশ এজেন্ট কর্মীকে গুলি করে ৩ কোটি টাকা লুট, আহত ৩ ডিআইজি পরিচয়ে ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার, ‘অতিরিক্ত ডিআইজি’ বরখাস্ত মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সচেতনতা ও চিকিৎসার ওপর জোর রাষ্ট্রপতির গঙ্গার পানি চুক্তি নিয়ে কারিগরি পর্যায়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে: জয়সোয়াল স্কুলছাত্রী তাজমিন হত্যার আসামিকে আনা হয়েছে কুমিল্লায়, উদ্ধার মোবাইল ফোন এ বছর দুর্গার ঘোড়ায় চড়ে মর্ত্যে আগমন,ঘোড়ায় আগমন আর নৌকায় বিদায় সৌদির বিমানবন্দরে হামলা, ৩ নাগরিক নিহত অক্টোবরের ৯ দিনেই ডেঙ্গুতে অর্ধশত মৃত্যু চট্টগ্রাম বন্দরের চুক্তিকে ‘দেশ বিক্রির চুক্তি’ বলা অমূলক: বাণিজ্যমন্ত্রী জামালপুরে সাংবাদিক ওসমান হারুনীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

মঠবাড়িয়া উপজেলার সাপলেজা ইউনিয়নে আশ্রয় কেন্দ্র ২ বেচাকেনার অভিযোগ

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ১০ আগস্ট, ২০২৩
  • ২৫০ টাইম ভিউ

মঠবাড়িয়া প্রতিনিধি : মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের অনুকূলে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় সারা দেশে জমিসহ ঘর হস্তান্তরে আন্তর্জাতিক ভাবে সুনাম অর্জন করেছেন সরকার। প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের এ ঘর কোন প্রকার হস্তান্তর নিয়ম না থাকলেও পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় বেশ কয়েকটি ঘর কেনা-বেচার অভিযাগ উঠেছে। উপজেলার সাপলেজা ইউনিয়নের খেতাছিড়া গ্রামে বেশ কয়েকটি ঘর হস্তান্তরের ঘটনা ঘটেছে। এতে স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

সরেজমিনে খেতাছিড়া গ্রামে দেখা গেছে, আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর এর প্রকৃত মালিক শাহ আলম, তিনি ঢাকায় থাকেন। তার সেই ঘরে থাকে খালাত ভাই দুলাল স্ত্রী সন্তান নিয়ে বসবাস করছেন। পাখি বেগমের নামের বরাদ্ধকৃত ঘরে তার বোনের ছেলের স্ত্রী সন্তান নিয়ে বসবাস করছেন। তবে পাখি বেগম রাস্তার পাশে ছাপড়া ঘরে বসবাস করেন। আনসার উদ্দিন চাপরাসি তিনি চট্টগ্রাম থাকেন। তার ঘরে জালাল হাওলাদার নাম এক ব্যক্তি স্ত্রী সন্তান নিয়ে বসবাস করছেন। প্রবাসি রফিকুলের নামে বরাদ্ধকৃত ঘরে থাকেন তার ভাই মনির কাজী পরিবার। এরকম আরও বেশ কয়েকটি ঘর অর্থের বিনিময় বেচা-কেনা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এসকল ঘরে বসবাস কারীরা অর্থের বিনিময় বেচা-কেনার বিষয়টি অস্বীকার করেন। কেন এবং কিভাবে বসবাস করছেন ? এমন প্রশ্নের বিষয়টি বার-বার এড়িয়ে যান।

এদিকে শুরুতেই আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরের তালিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছিলো স্থানীয় সচেতন মহল। তাদের দাবি বহু সঠিক প্রাপ্যদের বাদ দিয়ে জনপ্রতিনিধিরা ভোট বাণিজ্যে বা অর্থের বিনিময়ে সুবিধামতো ব্যক্তিদের ঘর বরাদ্ধ দিয়েছেন। জনপ্রতিনিধিরা এসকল অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছেন।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিলন তালুকদার বলেন, স্থানীয় জন প্রতিনিধিরাই তালিকা করেছেন। জন প্রতিনিধি ছাড়া সঠিক দুস্থ্য বাছাই কার সম্ভব নয়।

মঠবাড়িয়া উপজেলা সহবারি কমিশণার (ভূমি) সৈকত রায়হান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর শেখ উপহার আশ্রায়ণ প্রকল্পের ঘর হস্তান্তর বা বিক্রির কোন সুযোগ নেই। তদন্তকরে এই রকমের কোন প্রমান পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর