মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২৭ টাইম ভিউ
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ
ছবি-সংগৃহীত

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স থেকে প্রাপ্ত সোনা, রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রার ওজন নির্ধারণ ও গণনার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এবার জমা পড়া স্বর্ণালঙ্কারের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪৪ ভরি এবং রৌপ্যালঙ্কারের পরিমাণ ১ হাজার ৮৮ ভরি। সোমবার (১২ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টায় গণনার কাজ শেষে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক মো. এরশাদুল আহমেদ।

এর আগে একই দিন সকাল পৌনে ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এই পরিমাপ ও গণনার কার্যক্রম শুরু হয়। ট্রেজারিতে সংরক্ষিত নয়টি মাঝারি আকারের প্লাস্টিকের কনটেইনার ও ছয়টি সিলগালা করা খাম খুলে এসব মূল্যবান সামগ্রী গণনা করা হয়। জেলা জুয়েলারি সমিতির ১০ জন সদস্য সোনা ও রুপার ওজন নির্ধারণ এবং ক্যারেট পরিমাপের কাজে দায়িত্ব পালন করেন।

পুরো কার্যক্রম পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন, জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর অধ্যাপক মো. রমজান আলী, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক (উপসচিব) জেবুন নাহার শাম্মী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) জেসমিন আক্তার এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. এরশাদুল আহমেদসহ জেলা প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন জানান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে গঠিত ৯ সদস্যের উপকমিটির তত্ত্বাবধানে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। এতে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, আনসার, ব্যাংক কর্মকর্তা ও স্বর্ণকাররা সার্বিক সহযোগিতা করেন। প্রাপ্ত সোনা ও রুপা যাচাই-বাছাই শেষে পরবর্তীতে নিয়ম অনুযায়ী নিলামে বিক্রি করা হবে এবং বৈদেশিক মুদ্রা বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ বিনিময় হার অনুযায়ী টাকায় নগদায়ন করা হবে।

মসজিদ কমিটি সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে পাগলা মসজিদের মূল তহবিলে মোট ১৩১ কোটি ৪১ লাখ ৪৪ হাজার ৮১০ টাকা জমা রয়েছে। এ ছাড়া মসজিদের নিজস্ব ওয়েবসাইট চালুর পর থেকে অনলাইনে বিকাশ ও অন্যান্য মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে আরও ৩৯ লাখ ৩২ হাজার ১০৬ টাকা অনুদান পাওয়া গেছে।

প্রসঙ্গত, এর আগে ২০২০ সালের ১১ মার্চ পাগলা মসজিদের দানবাক্স থেকে প্রাপ্ত ৪১৫ ভরি ১ আনা সোনা এবং ১৬৪ ভরি রুপা নিলামে বিক্রি করে ১ কোটি ১৫ লাখ ৪ হাজার ১০০ টাকা পাওয়া গিয়েছিল। পাশাপাশি তৎকালীন বৈদে‌শিক মুদ্রা নগদায়ন করে ১ লাখ ২৭ হাজার ৬৫১ টাকা সংগৃহীত হয়।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর