সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রিয়াদ বিমানবন্দরে আবারও হামলা, টার্মিনালে আগুন দিল্লিতে বিমসটেকের প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে যাচ্ছেন না বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা দেশের স্বার্থে ব্যয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কয়েক বছরের মধ্যে ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী Veilig & Betrouwbaar Spelen শ্রীমঙ্গল থানা উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি যুবদল নেতার দিল্লির বিক্ষোভ থেকে ছাত্রনেতা নেহা বোরা আবারও আটক দেশে ডেঙ্গুতে মৃত্যু ৩০০ ছাড়াল, নতুন আক্রান্ত ২,১৯৩ জন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পরমাণু বিক্রিয়া দুর্গাপূজায় তিন জোড়া বিশেষ ট্রেন, পাঁচ ট্রেনের ছুটি বাতিল

বিদ্যুৎ বিভাগের ৪১ উন্নয়ন প্রকল্পে ১০ হাজার ৬৫৩ কোটি টাকার সহায়তা

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১০ টাইম ভিউ
বিদ্যুৎ বিভাগের ৪১ উন্নয়ন প্রকল্পে ১০ হাজার ৬৫৩ কোটি টাকার সহায়তা
ছবি-সংগৃহীত

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) বিদ্যুৎ বিভাগের অধীনে চলমান ৪১টি উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য বৈদেশিক উৎস থেকে প্রকল্প সাহায্য ধরা হয়েছে ১০ হাজার ৬৫৩ কোটি টাকা। একই সঙ্গে সরকারি অর্থায়ন (জিওবি) খাত থেকে ৪ হাজার ৭১ কোটি ৩৯ লাখ টাকা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর নিজস্ব অর্থায়নে ৩ হাজার ৩৮১ কোটি ৮০ লাখ টাকা বরাদ্দের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে জাতীয় সংসদের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। কমিটির সভাপতি মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপুর সভাপতিত্বে আয়োজিত এ বৈঠকে বাজেটের এসব আর্থিক বিবরণ উপস্থাপন করা হয়।

বৈঠকে উপস্থাপিত প্রতিবেদনে দেশের বর্তমান বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা ও প্রকৃত উৎপাদনের এক চিত্র তুলে ধরা হয়। বর্তমানে দেশে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে ১২ হাজার ২২ মেগাওয়াট, যার বিপরীতে প্রকৃত উৎপাদন হচ্ছে ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার মেগাওয়াট। কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা ৬ হাজার ৯২৭ মেগাওয়াট হলেও বাস্তবে উৎপাদন হচ্ছে ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার মেগাওয়াট। তা ছাড়া তরল জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুতের মোট সক্ষমতা ৬ হাজার ৪০৯ মেগাওয়াট এবং এ খাতে প্রতিদিন গড়ে আড়াই হাজার থেকে ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে।

স্থায়ী কমিটির ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কমিটির সদস্য ও মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এবং সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, রফিকুল ইসলাম হিলালী, এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, নায়াব ইউসুফ আহমেদ, মমতাজ আলো, মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান ও মো. আবুল হাসনাত।

সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত শেষে উপস্থিত বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের পরিচয় পর্ব সম্পন্ন হয়। এরপর মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কার্যক্রম ও অর্থনৈতিক বাজেট নিয়ে বিশদ পর্যালোচনা করেন সদস্যরা।

বৈঠকে জানানো হয়, ২০২৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে যেসব গ্রাহক ছাদভিত্তিক সৌর বিদ্যুৎ ব্যবস্থা (রুফটপ সোলার) স্থাপন করবেন, তারা ২০৩০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত গ্রিডে সর্ব সরবরাহকৃত প্রতি ইউনিট উদ্বৃত্ত বিদ্যুতের মূল্য বাবদ ১০ টাকা ৫০ পয়সা করে পাবেন। একই সঙ্গে এই প্রক্রিয়ার আওতায় বর্তমানে ঠিক কত পরিমাণ বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে, সেই হালনাগাদ তথ্য পরবর্তী বৈঠকে উপস্থাপনের সুপারিশ করেছে স্থায়ী কমিটি। এ ছাড়া মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়াদি সম্বলিত লিখিত প্রশ্নপত্রের লিখিত উত্তর আগামী বৈঠকে জমা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, আওতাধীন দপ্তরগুলোর প্রধানগণ ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর