শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যুদ্ধ বন্ধের চাপ বাড়ছে, মরিয়া ট্রাম্প এখন ইরানে হামলা চালালে ঘটতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয় শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ভুটানকে হারিয়ে সাফে শুভসূচনা বাংলাদেশের চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোর নিয়ে সরকার ইতিবাচক: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য আহত ঢাকা-পাবনা রুটে নতুন দুই আন্তঃনগর ট্রেন, উদ্বোধন ১৯ নভেম্বর আইইইএফএর প্রতিবেদন : এলএনজিতে বাড়ছে ভর্তুকির চাপ, বিনিয়োগ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা না পেলে বাংলাদেশে হারিয়ে যাবে পর্বতারোহণ: শাকিল একনেকে ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

অপারেশন সিঁদুরে ভারতীয় উড়োজাহাজ ছিনতাইয়ের হোতা রউফ আজহার নিহত: বিজেপি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৮ মে, ২০২৫
  • ১০৭ টাইম ভিউ

১৯৯৯ সালে ভারতীয় এয়ারলাইন্সের আইসি-৮১৪ উড়োজাহাজ যাত্রীসহ অপহরণের ঘটনার হোতা হিসাবে উঠে এসেছিল আব্দুল রউফ আজহারের নাম। রউফ জঙ্গি গোষ্ঠী জইশ-ই-মোহম্মদ এর প্রধান মাসুদ আজহারের ছোট ভাইও।

মঙ্গলবার ভারতের চালানো অপারেশন সিঁদুরে পাকিস্তানের মূল ভূখণ্ড এবং পাকিস্তান শাসিত কাশ্মীরে নিহত জঙ্গিদের মধ্যে উড়োজাহাজ অপহরনের সেই হোতা আব্দুল রউফ আজহারও আছেন বলে দাবি করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)।

অপারেশন সিঁদুর অভিযানে মোট ৯ টি জঙ্গিশিবির গুঁড়িয়ে দিয়েছে ভারত। সেগুলোর মধ্যে আছে পাকিস্তানের মূল ভূখণ্ড বাহাওয়ালপুরে জইশ-ই-মহম্মদের মূল ঘাঁটি এবং মুরিদকে-তে লস্কর-ই-তৈয়বার মূল ঘাঁটি।গত ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পেহেলগামে জঙ্গি হামলায় ২৬ জন পর্যটক নিহতের বদলায় ভারত এই হামলা চালায়। জইশের মূল ঘাঁটিতে হামলায় নিহত হয় জৈশ-ই প্রধান মাসুদের পরিবারের ১০ জন। এ বার তার ছোট ভাই রউফের মৃত্যুর খবর এল। ভারতীয় পত্রিকা এনডিটিভি জানায়, বিজেপি স্যোশাল মিডিয়ায় আব্দুল রউফ আজাহারের একটি ছবি পোস্ট করে তার ওপর খতম (এলিমিনেটেড) কথাটি লিখেছে।

প্রায় ২৬ বছর কেটে গেছে। এখনও ভারতীয়দের মনে তাজা ১৯৯৯-সালের সেই উড়োজাহাজ ছিনতাইয়ের স্মৃতি। আব্দুর রউফ আজহার এ ঘটনার জন্য ভারতের মোস্ট ওয়ান্টেড সন্ত্রাসীর তালিকায় ছিলেন।

১৯৯৯ সালের ২৪ ডিসেম্বর আব্দুল- রউফ আজহারসহ পাঁচ জঙ্গি ভারতীয় এয়রলাইন্সের আইসি-৮১৪ উড়োজাহাজ অপহরণ করে মাসুদ আজহার আলভি-সহ তিন জঙ্গিনেতার মুক্তি দাবি করেছিল।

উড়োজাহাজটিতে মোট ১৭৯ জন যাত্রী এবং ১১ জন বিমানকর্মী ছিল। অমৃতসর, লাহোর এবং দুবাই হয়ে অবশেষে বিমানটি আফগানিস্তানের কান্দাহরে থামানো হয়।

জঙ্গিরা উড়োজাহাজের এক যাত্রীকে হত্যাও করেছিল। বাকি যাত্রীদের প্রাণের বিনিময়ে অবশেষে মাসুদ আজহার-সহ তিন জঙ্গিনেতাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল।

২০০১ সালে ভারতের পার্লামেন্টে হামলা, ২০০৮ সালে মুম্বায়েই সন্ত্রাসী হামলা, ২০১৬-সালে পঠানকোট এবং ২০১৯-সালে পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলার নেপথ্যে মাসুদ আজহারের হাত রয়েছে।

১৯৯৪ সালে মাসুদকে ভারত গ্রেপ্তার করলেও ১৯৯৯ সালে কান্দাহারে ওই উড়োজাহাজ অপহরণের ঘটনার পর তাকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় ভারত।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর