শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যুদ্ধ বন্ধের চাপ বাড়ছে, মরিয়া ট্রাম্প এখন ইরানে হামলা চালালে ঘটতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয় শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ভুটানকে হারিয়ে সাফে শুভসূচনা বাংলাদেশের চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোর নিয়ে সরকার ইতিবাচক: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য আহত ঢাকা-পাবনা রুটে নতুন দুই আন্তঃনগর ট্রেন, উদ্বোধন ১৯ নভেম্বর আইইইএফএর প্রতিবেদন : এলএনজিতে বাড়ছে ভর্তুকির চাপ, বিনিয়োগ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা না পেলে বাংলাদেশে হারিয়ে যাবে পর্বতারোহণ: শাকিল একনেকে ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

আগামী সপ্তাহের মধ্যে গাজায় যুদ্ধবিরতি হতে পারে, বললেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ২৯ জুন, ২০২৫
  • ৯৭ টাইম ভিউ

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ‘আগামী সপ্তাহের’ মধ্যে গাজায় যুদ্ধবিরতি হতে পারে। শুক্রবার (২৭ জুন) হোয়াইট হাউজের ওভাল অফিসে ট্রাম্প সাংবাদিকদের জানান, গাজায় যুদ্ধবিরতির চুক্তি করতে যারা কাজ করছেন তাদের কয়েকজনের সঙ্গে তার কথা হয়েছে। তবে কী কথা হয়েছে সে ব্যাপারে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।

এদিকে ইসরাইলের কৌশলগত বিষয়ক মন্ত্রী রন ডেরমার আগামী সপ্তাহে ওয়াশিংটনে যাবেন। সেখানে মার্কিনিদের সঙ্গে ইরান ও গাজা নিয়ে তার আলোচনা হবে।জানা গেছে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর গাজায় হামলা বন্ধ করতে ইসরাইলকে ডোনাল্ড ট্রাম্প চাপ দিচ্ছেন। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত বন্ধ করে তিনি আব্রাহাম চুক্তির পরিধি বাড়ানোর চেষ্টা করবেন। অর্থাৎ তিনি ইসরাইলের সঙ্গে অন্যান্য আরব দেশগুলোর সম্পর্ক গড়ার কাজ করবেন।

এদিকে গাজায় খাদ্য সরবরাহ করা বিতর্কিত ‘গাজা মানবিক ফাউন্ডেশনে’ ৩০ মিলিয়ন ডলার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্পও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘গাজায় ভয়াবহ অবস্থা চলছে এবং আমরা সেখানে অনেক অর্থ এবং খাদ্য সহায়তা দিচ্ছি। কারণ আমাদের দিতে হবে। আমরা এই সংঘাতের সঙ্গে জড়িত নই। কিন্তু আবার জড়িতও কারণ সেখানে অনেক মানুষ মারা যাচ্ছে (যাদের আমাদের বাঁচাতে হবে)।’

ট্রাম্প জানান, গাজার ত্রাণ লুটপাট করছে কিছু খারাপ মানুষ। কিন্তু গাজা মানবিক ফাউন্ডেশন ভালো করছে বলে দাবি করেন তিনি।তবে এই ফাউন্ডেশন শুরু থেকেই বিতর্কের মুখে পড়েছে। সেখানে খাবার আনতে গিয়ে দখলদার সেনাদের গুলিতে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন সাড়ে ৫শর বেশি মানুষ। এছাড়া আরও চার হাজার ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন।- সূত্র: টাইমস অব ইসরাইল

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর