শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যুদ্ধ বন্ধের চাপ বাড়ছে, মরিয়া ট্রাম্প এখন ইরানে হামলা চালালে ঘটতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয় শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ভুটানকে হারিয়ে সাফে শুভসূচনা বাংলাদেশের চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোর নিয়ে সরকার ইতিবাচক: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য আহত ঢাকা-পাবনা রুটে নতুন দুই আন্তঃনগর ট্রেন, উদ্বোধন ১৯ নভেম্বর আইইইএফএর প্রতিবেদন : এলএনজিতে বাড়ছে ভর্তুকির চাপ, বিনিয়োগ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা না পেলে বাংলাদেশে হারিয়ে যাবে পর্বতারোহণ: শাকিল একনেকে ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

আসাদের পতনের পর সবচেয়ে ভয়াবহ হামলা সিরিয়ায়, নিহত ১৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৯৮ টাইম ভিউ

উত্তর সিরিয়ায় কৃষি শ্রমিকদের বহনকারী একটি যানবাহনে গাড়ি বোমা হামলায় অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৪ জনই নারী। তবে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে দেশটির উদ্ধারকারী সংস্থা। খবর বিবিসির।

সিরিয়া সিভিল ডিফেন্স সংস্থা (হোয়াইট হেলমেটস) জানিয়েছে, আলেপ্পোর পূর্বে অবস্থিত মানবিজ শহরের উপকণ্ঠে এই বিস্ফোরণ ঘটে। এই ঘটনায় আরও ১৫ জন নারী আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক এবং মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।এই হামলার দায় এখনো কোনো সশস্ত্র গোষ্ঠী স্বীকার করেনি। তবে এটি ছিল ডিসেম্বর মাসে বিদ্রোহী বাহিনী প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকে সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলা। এ ছাড়া মাত্র তিনদিনের ব্যবধানে মানবিজে দ্বিতীয় গাড়ি বোমা হামলা।

এর মাত্র তিন দিন আগে গত শনিবার মানবিজ শহরের কেন্দ্রে একটি বিস্ফোরণে দুই শিশু ও এক নারীসহ চারজন নিহত হন বলে জানিয়েছে সিরিয়া সিভিল ডিফেন্স। যুক্তরাজ্যভিত্তিক পর্যবেক্ষক সংস্থা সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস বলেছে, বিস্ফোরণটি একটি সামরিক অবস্থানের কাছে ঘটেছিল এবং এতে ৯ জন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজন তুরস্ক-সমর্থিত যোদ্ধা ছিলেন।

আসাদ সরকারের পতনের পর থেকে মানবিজ এবং এর আশপাশের এলাকা তুরস্ক-সমর্থিত সিরিয়ান ন্যাশনাল আর্মি (এসএনএ) এবং মার্কিন-সমর্থিত কুর্দি নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেস (এসডিএফ)-এর মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।

এসএনএ একটি অভিযান চালিয়ে ইউফ্রেটিস নদীর পশ্চিমে অবস্থিত অঞ্চল দখল করে। যদিও ২০১৬ সালে ইসলামিক স্টেট (আইএস)-কে পরাজিত করার পর থেকে এসডিএফ এই অঞ্চল দখল করে রেখেছিল।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর