শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মরিশাসে ভারী কাচের বাক্স চাপায় তিন বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য বিভ্রান্তিকর ও অসত্য দাবি করে নিন্দা জামায়াতের জামায়াতকে রুখে দিতে না পারলে দেশে আরও একটি বিপর্যয় হবে: নুর আওয়ামী লীগ ও সহযোগীদের উসকানিতেই পোশাকশিল্পে অস্থিরতা: রিজভী টেকনাফের পাহাড়ে ৩ মরদেহ, উদ্ধারে যৌথবাহিনীর অভিযান অব্যাহত ৭ নভেম্বরের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের তারিখ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বৈরাচার আওয়ামী লীগকে এ দেশে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজধানীতে যাত্রীবাহী বাসে আগুন ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৫৩৫

ইথিওপিয়ায় সামরিক বাহিনী ও বেসামরিক যোদ্ধাদের মধ্যে লড়াইয়ে ১৮৩ নিহত

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৩
  • ১২০ টাইম ভিউ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইথিওপিয়ায় সামরিক বাহিনী ও বেসামরিক যোদ্ধাদের মধ্যে লড়াইয়ে অন্তত ১৮৩ জন নিহত হয়েছেন দাবি করেছে জাতিসংঘ। আমহারা অঞ্চলে এ লড়াই হয়। তবে ইথিওপিয়া সরকারের মুখপাত্রের মন্তব্য জানার জন্য অনুরোধ করা হলেও তিনি তাৎক্ষণিভাবে সাড়া দেননি বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। গত মঙ্গলবার জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর এক বিবৃতিতে জানায়, আমহারা ইথিওপিয়ার দ্বিতীয় সর্বাধিক জনবহুল অঞ্চল। সরকার এ অঞ্চলের নিরাপত্তা দুর্বল করার চেষ্টা করছে। সরকার এ অভিযোগ অস্বীকার করলেও এটিই সংঘাতে ইন্ধন যুগিয়েছে।

সহিংসতা দমনে সরকারের জারি করা জরুরি অবস্থার অধীনে দেশব্যাপী হাজারেরও বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাদের অনেকেই আমহারা অঞ্চলের জাতিগোষ্ঠীর তরুণ সদস্য। জাতিসংঘের বিবৃতি আরও বলা হয়, মাসব্যাপী চলা লড়াইয়ের প্রথমদিকে স্থানীয় বেসামরিক যোদ্ধারা সরকারি বাহিনীগুলোকে হটিয়ে দিয়েছিল, কিন্তু পরে তারা ওই অঞ্চলের প্রধান শহরগুলো ফের নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়। ফেডারেল বাহিনীগুলো নির্দিষ্ট শহরগুলোতে তাদের উপস্থিতি ফের জোরদার করেছে আর ফানো মিলিশিয়ারা গ্রামীণ এলাকাগুলোর দিকে পিছু হটেছে।

আমরা সবাইকে হত্যাকাণ্ড, মানবাধিকার লঙ্ঘনসহ অন্যান্য অপব্যবহার বন্ধ করার আহ্বান জানাচ্ছি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে দুই জন চিকিৎসক জানিয়েছেন, রোববার ডেব্রে টাবর শহরে এক লড়াইয়ে অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন। এক সপ্তাহ আগে ইথিওপিয়ার সামরিক বাহিনী শহরটিতে প্রবেশ করার পর থেকে সংঘর্ষ শুরু হয়।

তারা সংঘর্ষে নিহত চার ব্যক্তির মৃতদেহ ও বহু আহতকে দেখেছেন বলে জানিয়েছেন। এদের মধ্যে একজনের নিজের শ্বশুরও আছেন; তার বাড়ির কাছে অজ্ঞাত বন্দুকধারীরা তার বুকে গুলি করে। এক চিকিৎসক জানান, অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন, এদের মধ্যে তিনজন বেসামরিক ও চারজন পুলিশ কর্মকর্তা; এরা সবাই সামরিক বাহিনীর সমর্থনে লড়াই করছিলেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর