শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যুদ্ধ বন্ধের চাপ বাড়ছে, মরিয়া ট্রাম্প এখন ইরানে হামলা চালালে ঘটতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয় শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ভুটানকে হারিয়ে সাফে শুভসূচনা বাংলাদেশের চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোর নিয়ে সরকার ইতিবাচক: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য আহত ঢাকা-পাবনা রুটে নতুন দুই আন্তঃনগর ট্রেন, উদ্বোধন ১৯ নভেম্বর আইইইএফএর প্রতিবেদন : এলএনজিতে বাড়ছে ভর্তুকির চাপ, বিনিয়োগ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা না পেলে বাংলাদেশে হারিয়ে যাবে পর্বতারোহণ: শাকিল একনেকে ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

ইরান চুক্তিতে রাজি না হলে ফের যুদ্ধ শুরু হবে, হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১০৬ টাইম ভিউ
ইরান চুক্তিতে রাজি না হলে ফের যুদ্ধ শুরু হবে, হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

ইরান শান্তি চুক্তিতে রাজি না হলে মার্কিন বাহিনী অবিলম্বে যুদ্ধ পুনরায় শুরু করতে প্রস্তুত রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। বৃহস্পতিবার পেন্টাগনে মার্কিন সামরিক বাহিনী জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইনের সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

হেগসেথ বলেন, ‘ইরান একটি সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ বেছে নিতে পারে এবং আমরা আশা করি আপনি ইরানের জনগণের জন্য তাই করবেন। কিন্তু ইরান যদি ভুল সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে তাদের অবকাঠামো, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির ওপর অবরোধ ও বোমা বর্ষণ করা হবে’ ইরানের অভ্যন্তরীণ সামরিক গতিবিধি মার্কিন নজরদারির মধ্যে রয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘এটি কোনো ন্যায্য লড়াই নয় এবং আপনারা কোন সামরিক সরঞ্জাম স্থানান্তর করছেন ও কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন, তা আমরা জানি।’

ইরানি নেতাদের উদ্দেশে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা তোমাদের প্রতিটি পদক্ষেপ পর্যবেক্ষণ করছি। আপনারা আপনাদের বাকি লঞ্চার ও মিসাইলগুলো খুঁড়ে বের করছেন ঠিকই, কিন্তু সেগুলো নতুন করে তৈরি বা প্রতিস্থাপন করার ক্ষমতা আপনাদের নেই’। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তি নিয়ে পুনরায় প্রস্তুত হচ্ছে বলেও জানান তিনি। হেগসেথ আরও জানিয়েছেন, ইরানকে চুক্তিতে বাধ্য করতে হরমুজ প্রণালিসহ সমুদ্রপথে মার্কিন নৌ-অবরোধ অব্যাহত থাকবে। যতদিন প্রয়োজন হবে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর এই নৌ-অবরোধ বজায় রাখবে।

যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে হরমুজ প্রণালিতে নৌ-যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। হেগসেথ বলেন, ‘যেহেতু ইরানের আর কোনো নৌবাহিনী নেই, তাই মার্কিন নৌবাহিনী হরমুজ প্রণালির যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করছে’। অন্যদিকে মার্কিন সামরিক বাহিনী জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন বলেছেন, ‘মার্কিন বাহিনী আক্ষরিক অর্থেই যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের যুদ্ধ অভিযান পুনরায় শুরু করতে প্রস্তুত।’

ব্রিফিংয়ে তিনি আরও বলেন, ইরানের পতাকাবাহী যেকোনো জাহাজ অথবা ইরানকে সহায়তা দেওয়ার চেষ্টাকারী যেকোনো জাহাজের পিছু নেবে মার্কিন নৌবাহিনী। শুধু ইরানের আঞ্চলিক সমুদ্রসীমা নয়, বরং আন্তর্জাতিক জলসীমায় এই ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে। অবরোধ ভাঙার চেষ্টাকারী জাহাজগুলোকে আটক করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়ে জেনারেল কেইন জানান, ‘যদি আপনারা এই অবরোধ মেনে না চলেন, আমরা শক্তি প্রয়োগ করব’।

তিনি দাবি করেন, অবরোধ শুরু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত মোট ১৩টি জাহাজকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং এখন পর্যন্ত কোনো জাহাজে ইরানের দিকে যাত্রা করেনি।

প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনার সম্ভাবনা জোরদার হওয়ার প্রেক্ষপটেই যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এই হুঁশিয়ারি এলো। আলোচেনার আগে ইরানের ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি করা জন্য একটি কৌশল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। সূত্র: রয়টার্স, আলজাজিরা

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর