শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বিকাশ এজেন্ট কর্মীকে গুলি করে ৩ কোটি টাকা লুট, আহত ৩ ডিআইজি পরিচয়ে ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার, ‘অতিরিক্ত ডিআইজি’ বরখাস্ত মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সচেতনতা ও চিকিৎসার ওপর জোর রাষ্ট্রপতির গঙ্গার পানি চুক্তি নিয়ে কারিগরি পর্যায়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে: জয়সোয়াল স্কুলছাত্রী তাজমিন হত্যার আসামিকে আনা হয়েছে কুমিল্লায়, উদ্ধার মোবাইল ফোন এ বছর দুর্গার ঘোড়ায় চড়ে মর্ত্যে আগমন,ঘোড়ায় আগমন আর নৌকায় বিদায় সৌদির বিমানবন্দরে হামলা, ৩ নাগরিক নিহত অক্টোবরের ৯ দিনেই ডেঙ্গুতে অর্ধশত মৃত্যু চট্টগ্রাম বন্দরের চুক্তিকে ‘দেশ বিক্রির চুক্তি’ বলা অমূলক: বাণিজ্যমন্ত্রী জামালপুরে সাংবাদিক ওসমান হারুনীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট শাখা থেকে এক কোটি ৩৩ লাখ টাকা আত্মসাৎ

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ৭ আগস্ট, ২০২৩
  • ১৮০ টাইম ভিউ

অনলাইন ডেক্স : নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপাড় এলাকার ইসলামী ব্যাংকের এক এজেন্ট শাখা থেকে এক কোটি ৩৩ লাখ টাকা আত্মসাৎ করার ঘটনা ঘটেছে।

আজ সোমবার (৭ আগস্ট) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা।

এ ঘটনায় ওই এজেন্ট ব্যাংকের মালিক আনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে একজনকে অভিযুক্ত করে গতকাল রবিবার (৬ আগস্ট) সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযুক্ত মো. ওমর ফারুক (৩২) লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জের জগতপুর এলাকার মো. এছহাক হোসেনের ছেলে। তিনি ওই ব্যাংকের এজেন্ট ইনচার্জ হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগীর একটি ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের এজেন্ট রয়েছে। অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি দীর্ঘ ৩ বছর যাবত তার এজেন্টে ইনচার্জ হিসাবে কর্মরত ছিলেন। গত ১২ জুন তিনি হজ্জ করার উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে যান এবং ১৮ জুলাই দেশে ফিরে আসেন। আসার পর তার অনুপস্থিতে এজেন্টের সকল হিসাব চাইলে অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি হিসাব দিবে বলে পরে আর অফিসে ফিরে আসেন নাই।

অভিযোগ পত্রে এজেন্ট ব্যাংকের মালিক আনোয়ার হোসেন বলেন, এ পর্যন্ত বিভিন্ন গ্রাহকের অভিযোগের প্রেক্ষিতে জানতে পারি, অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি তার এজেন্ট থেকে আনুমানিক এক কোটি ৩৩ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছে। এ সময় অভিযুক্তর ব্যবহারকৃত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার ফোন করলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

তিনি আরও বলেন, পরবর্তীকালে অভিযুক্তের স্ত্রী সুমি এবং বাবা মো. এছহাক হোসেনের ব্যবহারকৃত মোবাইলে কল দিলে অভিযুক্তর স্ত্রী, বাবা এবং ভাই তাকে মিথ্যা মামলাসহ বিভিন্ন ধরণের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করেন।

তদন্তাধীন কর্মকর্তা (আইও) সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হুমায়ুন কবির বলেছেন, এখনো পর্যন্ত অভিযুক্তকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তাকে আটক করতে আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা জানান, এ ঘটনায় থানায় মালিক পক্ষ একটি অভিযোগ করেছেন। কিন্তু এখনো কোনো গ্রাহক অভিযোগ করেনি। এ ঘটনায় আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর