শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যুদ্ধ বন্ধের চাপ বাড়ছে, মরিয়া ট্রাম্প এখন ইরানে হামলা চালালে ঘটতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয় শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ভুটানকে হারিয়ে সাফে শুভসূচনা বাংলাদেশের চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোর নিয়ে সরকার ইতিবাচক: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য আহত ঢাকা-পাবনা রুটে নতুন দুই আন্তঃনগর ট্রেন, উদ্বোধন ১৯ নভেম্বর আইইইএফএর প্রতিবেদন : এলএনজিতে বাড়ছে ভর্তুকির চাপ, বিনিয়োগ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা না পেলে বাংলাদেশে হারিয়ে যাবে পর্বতারোহণ: শাকিল একনেকে ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

চুক্তিতে রাজি না হলে ইরানে আরও নৃশংস হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ১৩ জুন, ২০২৫
  • ১০৬ টাইম ভিউ

পরমাণু চুক্তি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের আলোচনার মাঝেই দেশটিতে বড় আকারের বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। শুক্রবার ভোররাতে ইরানের পরমাণু প্রকল্প, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কারখানা ও আকাশ প্রতিরক্ষা স্থাপনাগুলোতে চালানো এ হামলায় ইরানের সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ বাঘেরি, আইআরজিসি প্রধান মেজর জেনারেল হোসেইন সালামিসহ বেশ কয়েকজন সামরিক ও বেসামরিক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

এই হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, “এরই মধ্যে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ হয়েছে এবং বহু মানুষ মারা গেছেন। তবে আরও নৃশংস হামলা থামাতে এখনো সময় আছে। সবকিছু শেষ হয়ে যাওয়ার আগেই ইরানকে একটি চুক্তিতে আসতেই হবে।”ট্রাম্প দাবি করেন, তিনি এই হামলার পরিকল্পনার বিষয়ে আগে থেকেই জানতেন, যদিও এতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর অংশগ্রহণ নেই। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর ভাষ্যও একই রকম, তবে ইরান দাবি করেছে যে, এই হামলায় যুক্তরাষ্ট্র সহায়তা করেছে।

২০১৫ সালের চুক্তি অনুযায়ী ইরান পরমাণু কার্যক্রম সীমিত করলেও ট্রাম্প প্রথম মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রকে সেখান থেকে প্রত্যাহার করে নেন। ক্ষমতায় ফেরার পর আবারও চুক্তির সম্ভাবনায় আলোচনা শুরু করেন তিনি। এসব আলোচনার মধ্যস্থতা করছে ওমান। মাসকাট ও রোমে এরই মধ্যে পাঁচ দফা আলোচনা হয়েছে; ষষ্ঠ দফা বৈঠক হওয়ার কথা রোববার।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০০৩ সালের পর থেকে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির প্রকল্প পুনরায় চালু করেনি এবং সম্প্রতি সে মূল্যায়নে কোনো পরিবর্তন আসেনি।

হামলার পর হোয়াইট হাউসে জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের বৈঠকে অংশ নেন ট্রাম্প। এর আগেও তিনি বলেছিলেন, তিনি শান্তিপূর্ণ সমাধান চান, তবে কূটনৈতিক সমঝোতা ব্যর্থ হলে সামরিক পদক্ষেপ নিতে দ্বিধা করবেন না।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর