শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
যুদ্ধ বন্ধের চাপ বাড়ছে, মরিয়া ট্রাম্প এখন ইরানে হামলা চালালে ঘটতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয় শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ভুটানকে হারিয়ে সাফে শুভসূচনা বাংলাদেশের চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোর নিয়ে সরকার ইতিবাচক: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য আহত ঢাকা-পাবনা রুটে নতুন দুই আন্তঃনগর ট্রেন, উদ্বোধন ১৯ নভেম্বর আইইইএফএর প্রতিবেদন : এলএনজিতে বাড়ছে ভর্তুকির চাপ, বিনিয়োগ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা না পেলে বাংলাদেশে হারিয়ে যাবে পর্বতারোহণ: শাকিল একনেকে ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

ছেলেকে হারিয়ে বার বার মূর্ছা যাচ্ছেন মা, নির্বাক বাবা

নাহিদ সরকার, রংপুর
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১৭ জুলাই, ২০২৪
  • ১১০ টাইম ভিউ

‘আমার ভাইত তো মরার বয়সি হয় নাই। একটা পা ভাঙিল না ক্যান, একটা হাত ভাঙিল না ক্যান। কী জন্যত চারটা গুলি কইলো আমার ভাইত। আমার কলিজা তো মানোছে না। আমাগ তিনডা গুলি মারি গেলো না ক্যান। আমার ভাই এতো কষ্ট করে মরিছে ভাই।’

 

সবার ছোট ভাইকে হারিয়ে এভাবেই বিলাপ করছিলেন রংপুরে কোটা সংস্কার আন্দোলনে বুকে গুলি খেয়ে নিহত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদের বোন সুমি।

তিনি বলেন, ‘হামার ভায়ের এতো মেধা, আমার ভাই ফাইভে বৃত্তি পাইছে, এইটে বৃত্তি পাইছে। হামার ভাই সরকারি কলেজে স্কলারশিপ পাইছে। বাপে আমার খুশিতে কানদিছে। হায়রে ভাই। এতো মেধাবী ছাত্র আমার ভাই। কী জন্যত মারিলো। আমার ভাইক কয়ছুলিম, মানিষেত বিসিএস করে ক্যাং করে ভাই। তুমারা নাত করেন তো। আমরা তখন কবার পারুম, আমরা গরিব মানুষ, আমার ভাইত বিসিএস করে চাকরি করে। ভাই কইছিলো আমি চেষ্টা করিম।

 

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুরে আবু সাঈদের গ্রামের  বাড়িতে গিয়ে দেখা গেছে, ছেলেকে হারিয়ে বার বার মূর্ছা যাচ্ছেন মা। নির্বাক বাবা।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর