শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মরিশাসে ভারী কাচের বাক্স চাপায় তিন বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য বিভ্রান্তিকর ও অসত্য দাবি করে নিন্দা জামায়াতের জামায়াতকে রুখে দিতে না পারলে দেশে আরও একটি বিপর্যয় হবে: নুর আওয়ামী লীগ ও সহযোগীদের উসকানিতেই পোশাকশিল্পে অস্থিরতা: রিজভী টেকনাফের পাহাড়ে ৩ মরদেহ, উদ্ধারে যৌথবাহিনীর অভিযান অব্যাহত ৭ নভেম্বরের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের তারিখ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বৈরাচার আওয়ামী লীগকে এ দেশে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজধানীতে যাত্রীবাহী বাসে আগুন ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৫৩৫

দানব খুঁজতে গিয়ে বেরিয়ে এলো ৬৫ হাজার মৌমাছি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৪ মে, ২০২৪
  • ১০২ টাইম ভিউ

তিন বছর বয়সী ছোট্ট মেয়েটি বাবা-মাকে বলেছিল তার শোবার ঘরে দানব আছে। বাবা-মা তার কথা শুনে ভেবেছিলেন এটা শিশুদের কল্পনা মাত্র। শুধু তাই নয়, তাকে এক বোতল পানিও দিয়েছিলেন তারা এবং বলেছিলেন ওই দানবকে স্প্রে করে দিতে। তাহলে রাতে দানব তাকে ভয় দেখাতে পারবে না।

কিন্তু এরপর যা আবিষ্কার হয়েছিল তাতে তারা অবাক হয়ে পড়েন। ঘটনাটি ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর ক্যারোলাইনায়।
শার্লটের একটি খামারবাড়িতে বাবা-মাসহ বসবাস করে সায়লর নামের ছোট্ট মেয়েটি। খামারবাড়িতে তার কক্ষের কাঠের দেয়ালের ভেতর ‘দানব’ আছে বলে জানিয়েছিল সে।

তার মা অ্যাশলে ম্যাসিস ক্লাস এবং তার স্বামী সায়লর কথায় পাত্তাই দেয়নি। কিন্তু সায়লর বলেই যাচ্ছিল যে তার কক্ষে দানব আছে। এভাবেই কয়েক মাস পেরিয়ে যায়।

 

এরপর মা ম্যাসিস ক্লাস তাদের ১০০ বছরের পুরনো বাড়ির বাইরে মৌমাছির ঝাঁক দেখতে পান।

সায়লরের বাবা-মা তখনো ভেবেছিলেন, ছাদের কাছে মৌমাছির গুঞ্জন শুনে দানবের কথা বলছে তাদের মেয়ে। ম্যাসিস ক্লাস তখন একটি পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাকে (পেস্ট কন্ট্রোল) খবর দেন। কিন্তু তারা তাদের বলে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে একটি সুরক্ষিত প্রজাতির মৌমাছি এগুলো। এরপর স্বামী-স্ত্রী মিলে একজন মৌমাছি পালনকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনিই সেই দানবের রহস্য ভেদ করেন।

ওই মৌমাছি পালনকারী দেখতে পান, মৌমাছিগুলো সায়লরের শোবার কক্ষের ঠিক ওপরের দিকে যাচ্ছে। এরপর তিন বছরের শিশুর বেডরুমের কাঠের দেয়াল স্ক্যান করার জন্য একটি থার্মাল ক্যামেরা বসিয়ে দেন তিনি। সেখানেই ধরা পড়ে, হাজার হাজার মৌমাছি বাসা বেঁধেছে ছোট্ট মেয়েটির ঘরে।

অবশেষে সেই কক্ষ থেকে ৫৫ থেকে ৬৫ হাজার মৌমাছি এবং ৪৫ কেজি মৌচাক অপসারণ করা হয়। মৌমাছিরা এই দানব আকারের মৌচাক তৈরি করতে আট মাস ব্যয় করেছিল। মৌমাছিগুলোকে বাক্সবন্দি করে অভয়ারণ্যে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। অ্যাশলে ম্যাসিস ক্লাস জানান, বৈদ্যুতিক তারসহ বেশ কিছু জিনিসের ক্ষতি করেছিল মৌমাছিগুলো।

সূত্র : বিবিসি

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর