শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০১:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মরিশাসে ভারী কাচের বাক্স চাপায় তিন বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য বিভ্রান্তিকর ও অসত্য দাবি করে নিন্দা জামায়াতের জামায়াতকে রুখে দিতে না পারলে দেশে আরও একটি বিপর্যয় হবে: নুর আওয়ামী লীগ ও সহযোগীদের উসকানিতেই পোশাকশিল্পে অস্থিরতা: রিজভী টেকনাফের পাহাড়ে ৩ মরদেহ, উদ্ধারে যৌথবাহিনীর অভিযান অব্যাহত ৭ নভেম্বরের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের তারিখ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বৈরাচার আওয়ামী লীগকে এ দেশে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজধানীতে যাত্রীবাহী বাসে আগুন ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৫৩৫

নাফ নদী থেকে ট্রলারসহ চার জেলেকে ধরে নিয়ে গেলো আরাকান আর্মি

প্রতিনিধি :
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৯০ টাইম ভিউ

কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদী থেকে ট্রলারসহ বাংলাদেশি চার জেলেকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ধরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই অপহরণের সঙ্গে মিয়ানমারের সশস্ত্র সংগঠন আরাকান আর্মি জড়িত।

মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীরদ্বীপ সংলগ্ন নাফ নদীর মোহনায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি জানিয়েছেন কোস্টগার্ডের শাহপরীরদ্বীপ স্টেশনের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট এইচ এম সারতাজ বিন সোহরাব।অপহৃতরা হলেন- টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের দক্ষিণ পাড়ার বাসিন্দা মো. হাসান (৩০), আব্দুর রকিম (২০), মো. জাবের (২৬) ও মো. হাসান (১৬)।

লেফটেন্যান্ট সারতাজ বিন সোহরাব বলেন, সকালে টেকনাফের শাহপরীরদ্বীপ দক্ষিণ পাড়ার বাসিন্দা মো. হাসান চার জেলেকে নিয়ে ট্রলারসহ নাফ নদীতে মাছ ধরতে যান। এক পর্যায়ে মিয়ানমার দিক থেকে একটি স্পিডবোট যোগে আসা সশস্ত্র ব্যক্তিরা ট্রলারটি ঘিরে ফেলে। পরে জেলেসহ ট্রলারটি মিয়ানমার অভ্যন্তরে নিয়ে যায়।

তিনি জানান, ঘটনার বিষয়ে কোস্টগার্ডের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ, বিজিবি ও প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে। অপহৃতদের উদ্ধারে কোস্টগার্ড তৎপরতা চালাচ্ছে এবং নাফ নদীতে নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ এহসান উদ্দিন বলেন, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয়দের কাছ থেকে জেলেদের ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি জানতে পেরেছি। বিজিবি ও সংশ্লিষ্ট বাহিনী উদ্ধার কার্যক্রম চালাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সংঘাতের কারণে অধিকাংশ এলাকা আরাকান আর্মির দখলে রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, তারাই এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত।

বিজিবি ও কোস্টগার্ড সীমান্তে নিরাপত্তা ও নজরদারি বাড়িয়েছে বলে ইউএনও নিশ্চিত করেছেন।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর