শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
টেকনাফের পাহাড়ে ৩ মরদেহ, উদ্ধারে যৌথবাহিনীর অভিযান অব্যাহত ৭ নভেম্বরের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের তারিখ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বৈরাচার আওয়ামী লীগকে এ দেশে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজধানীতে যাত্রীবাহী বাসে আগুন ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৫৩৫ কলেজের অধ্যক্ষকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, শিক্ষার্থীদের ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম হঠাৎ বুকব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি শ্রমমন্ত্রী! হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪ জনের মৃত্যু বিএনপি গায়ের জোরে বেশিদিন ক্ষমতায় থাকতে পারবে না: নাহিদ ইসলাম

পাকিস্তানকে আরো ৭০০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে আইএমএফ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৪
  • ১০২ টাইম ভিউ

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছ থেকে আরো ৭০০ কোটি ডলার ঋণ পেতে যাচ্ছে পাকিস্তান। এরই মধ্যে আইএমএফ ও শাহবাজ শরিফের সরকার এ বিষয়ে তিন বছরের একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে। স্বাধীনতার পর থেকে এ নিয়ে ২৫ বারের মতো আইএমএফের ঋণ পেতে যাচ্ছে পাকিস্তান।

উভয়পক্ষের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বৈঠকের পর শুক্রবার (১২ জুলাই) বিষয়টি ঘোষণা করা হয়। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঋণ এখনো অনুমোদিত হয়নি। কবর ডয়চে ভেলের।

জানা গেছে, খুব শিগগির আইএমএফের নির্বাহী পরিষদ এই ঋণের অনুমোদন দেবে, যা কেবলই একটি আনুষ্ঠানিকতা। তবে ঋণ কবে ছাড় করা হবে বা আইএমএফের নির্বাহী বোর্ডের বৈঠকে কবে ঋণটি অনুমোদিত হবে সে বিষয়ে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

এর আগে, গত মে মাসে পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী মুহাম্মদ আওরঙ্গজেব বলেছিলেন, আরো বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার জন্য ঋণ প্যাকেজ প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে শরিফ সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ উপসাগরীয় দেশগুলোর কাছ থেকে তহবিল চাইছেন এবং পাকিস্তানে চীনের বহু-বিলিয়ন অর্থনৈতিক করিডরের দ্বিতীয় ধাপ চালু করার জন্য চাপ দিচ্ছেন।

দুর্নীতি, করোনা মহামারি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ও ২০২২ সালের ভয়াবহ বন্যার কারণে অর্থনৈতিকভাবে টালমাটাল অবস্থা ২৪ কোটিরও বেশি জনসংখ্যার এই দেশটির। এমন পরিস্থিতিতে অনেকের দাবি, আইএমএফের এই ঋণ পাকিস্তানের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে বর্তমান সরকারকে বেশ খানিকটা সাহায্য করবে।

দীর্ঘ ৩৭ মাসের আলোচনা শেষে পাকিস্তান সরকার ও আইএমএফ এই ঋণের ব্যাপারে ঐকমত্যে পৌঁছেছে। তবে আশঙ্কার বিষয় হলো, এই ঋণ এমন এক সময়ে নেয়া হলো, যখন চলতি বছর দেশটিকে ২ হাজার ৪০০ কোটি ডলারের বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করতে হবে।

এদিকে, আইএমএফের এই ঋণ পাওয়ার জন্য বেশকিছু কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হতে হয়েছে পাকিস্তান সরকারকে। বিশেষ করে বিভিন্ন খাতে কর বৃদ্ধ, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিসহ নানা অজনপ্রিয় পদক্ষেপ নিতে হয়েছে তাদের। আর স্বাভাবিকভাবেই বিষয়গুলো জনগণের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে।

দীর্ঘ দিনের অর্থনৈতিক সংকটের কারণে পাকিস্তানকে আইএমএফের কাছ থেকে একের পর এক ঋণ নিতে হচ্ছে। এর আগে, চলতি বছরের এপ্রিলে আইএমএফের কাছ থেকে ৩০০ কোটি ডলার ঋণ পেয়েছিল দেশটি। তারপর পাকিস্তানের মূল্যস্ফীতি জানুয়ারির ২৮ শতাংশ থেকে নেমে ১২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর