শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যুদ্ধ বন্ধের চাপ বাড়ছে, মরিয়া ট্রাম্প এখন ইরানে হামলা চালালে ঘটতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয় শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ভুটানকে হারিয়ে সাফে শুভসূচনা বাংলাদেশের চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোর নিয়ে সরকার ইতিবাচক: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য আহত ঢাকা-পাবনা রুটে নতুন দুই আন্তঃনগর ট্রেন, উদ্বোধন ১৯ নভেম্বর আইইইএফএর প্রতিবেদন : এলএনজিতে বাড়ছে ভর্তুকির চাপ, বিনিয়োগ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা না পেলে বাংলাদেশে হারিয়ে যাবে পর্বতারোহণ: শাকিল একনেকে ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

পাকিস্তানে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণ হারালেন অন্তত ৪৯ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৩৮ টাইম ভিউ

পাকিস্তানের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে গত ২৪ ঘণ্টায় ভারি বর্ষণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। বার্তা সংস্থা এপির খবরে জানা যায়, ২৬ জুন থেকে দেশটিতে বৃষ্টিপাতজনিত ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৬০-এ দাঁড়িয়েছে, যার মধ্যে বেশিরভাগই নারী ও শিশু।

গিলগিট-বালতিস্তানের মুখপাত্র ফাইজুল্লাহ ফারাক জানান, ঘাজার জেলায় বৃহস্পতিবার আকস্মিক বন্যায় ১০ জন নিহত হয়েছেন। খাইবার পাখতুনখোয়ার বাজিকুর জেলায় ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে, যাদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে। উত্তর-পশ্চিমের বাত্তাগ্রাম জেলায় ১০ জন নিহত ও ১৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন। পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।খাইবার পাখতুনখোয়ার মানসেরা জেলায় আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে আটকা পড়া প্রায় ১ হাজার ৩০০ পর্যটককে ঘণ্টার পর ঘণ্টা চেষ্টায় উদ্ধার করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। জুলাই থেকে গিলগিট-বালতিস্তানে একাধিকবার আকস্মিক বন্যা হয়েছে, যা করাকোরাম হাইওয়েতে ভূমিধস সৃষ্টি করে পাকিস্তান-চীন সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত করেছে।

এদিকে, আজাদ জম্মু ও কাশ্মীরের নাসিরাবাদে মেঘভাঙা বৃষ্টিতে একই পরিবারের ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় নদীর পানি উপচে পড়ায় গৃহহীন হয়েছে বহু পরিবার, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ঘরবাড়ি, বিদ্যালয় ও কৃষিজমি। পর্যটকবাহী একটি গাড়ি স্রোতে ভেসে গেলেও সবাই জীবিত উদ্ধার হয়েছেন।

গিলগিট-বালতিস্তান ও এজেকে সরকার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে জরুরি অবস্থা জারি করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষকে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে সর্বোচ্চ প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দিয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোর বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে এবং ১৫ ও ১৬ আগস্ট এজেকের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় শোক প্রকাশ করে দ্রুত উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর