শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যুদ্ধ বন্ধের চাপ বাড়ছে, মরিয়া ট্রাম্প এখন ইরানে হামলা চালালে ঘটতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয় শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ভুটানকে হারিয়ে সাফে শুভসূচনা বাংলাদেশের চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোর নিয়ে সরকার ইতিবাচক: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য আহত ঢাকা-পাবনা রুটে নতুন দুই আন্তঃনগর ট্রেন, উদ্বোধন ১৯ নভেম্বর আইইইএফএর প্রতিবেদন : এলএনজিতে বাড়ছে ভর্তুকির চাপ, বিনিয়োগ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা না পেলে বাংলাদেশে হারিয়ে যাবে পর্বতারোহণ: শাকিল একনেকে ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

ফিলিস্তিনিদের দক্ষিণ সুদানে স্থানান্তরের পরিকল্পনা করছে ইসরায়ে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৭২ টাইম ভিউ

ইসরায়েল গাজার ফিলিস্তিনিদের দক্ষিণ সুদানে স্থানান্তরের পরিকল্পনা করছে, যা নতুন এক মানবিক এবং রাজনৈতিক সংকট তৈরি করতে পারে। বিষয়টি সামনে এসেছে যখন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভা এই পরিকল্পনার জন্য দক্ষিণ সুদানের সঙ্গে আলোচনাও শুরু করেছে। গাজার মানুষরা দীর্ঘ সময় ধরে যুদ্ধ ও সংঘাতের কারণে বিপন্ন অবস্থায় রয়েছে, এবং তাদের স্থানান্তর নিয়ে এই পরিকল্পনা আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপক নজর কাড়ছে। আজ বুধবার (১৩ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য মার্কিন সংবাদমাধ্যম এপি নিউজ।

ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের নিরাপদ এলাকায় সরিয়ে নেওয়ার জন্য দক্ষিণ সুদানের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে। পরিকল্পনার উদ্দেশ্য হলো গাজার মানুষদের এমন এক দেশে স্থানান্তর করা যেখানে তারা কিছুটা নিরাপদে থাকতে পারবে, যদিও দক্ষিণ সুদান দারিদ্র্য ও দুর্ভিক্ষের সমস্যায় জর্জরিত। ফিলিস্তিনিদের মানবাধিকার রক্ষা ও নিরাপদ অবস্থান নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম এপি নিউজ জানিয়েছে, এই আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মোট ছয়টি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। গাজার ফিলিস্তিনিদের অন্য কোনো দেশে স্থানান্তরের ব্যাপারে প্রথম আগ্রহ জানিয়েছিলেন তখনকার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্প একাধিকবার বলেছেন, তিনি গাজার ফিলিস্তিনিদের ‘নিরাপদ’ ও ‘সংঘাতমুক্ত’ দেশে স্থানান্তর করতে চান এবং বিভিন্ন দেশকে এ ব্যাপারে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছিলেন। এরপর নেতানিয়াহু একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে জানান, তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে একমত এবং যুদ্ধের সময় বেসামরিক মানুষদের নিরাপদে সরানোই যুদ্ধের আইনের অংশ।

ইসরায়েলি সম্প্রচার সংবাদমাধ্যম আই২৪-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, “যুদ্ধের আইন হলো যে এলাকায় যুদ্ধ হবে— সেখান থেকে বেসামরিক লোকজনকে নিরাপদ এলাকায় সরিয়ে নেওয়া, তারপর পূর্ণ শক্তি দিয়ে শত্রুকে মোকাবিলা করা।” এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে এপি নিউজ ইসরায়েল এবং দক্ষিণ সুদানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে, কিন্তু কোনো কর্মকর্তাই মন্তব্য করতে রাজি হননি।

দক্ষিণ সুদানে কর্মরত মার্কিন লবিং প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ নির্বাহী জোয়ে স্লাভিক জানিয়েছেন, সম্প্রতি দক্ষিণ সুদানের কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইসরায়েলের একটি প্রতিনিধি শিগগিরই দক্ষিণ সুদানে আসবেন এবং তাদের মূল উদ্দেশ্য হলো গাজার ফিলিস্তিনিদের বসবাসের জন্য সম্ভাব্য এলাকা নির্বাচন করা। তিনি বলেন, “দক্ষিণ সুদানের সবচেয়ে বড় সংকট হলো দারিদ্র্য ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সংকট। যদি ফিলিস্তিনিদের সেখানে স্থানান্তর করা হয়, তাহলে ইসরায়েল থেকে বড় অঙ্কের অর্থ পাবে দেশটি।”

দক্ষিণ সুদানের সিভিল সোসাইটির নেতৃস্থানীয় সদস্য এডমুন্ড ইয়াকানি এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, দেশের সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এবং অন্তত চারজন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তথ্যসূত্র : এপি নিউজ

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর