শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
যুদ্ধ বন্ধের চাপ বাড়ছে, মরিয়া ট্রাম্প এখন ইরানে হামলা চালালে ঘটতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয় শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ভুটানকে হারিয়ে সাফে শুভসূচনা বাংলাদেশের চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোর নিয়ে সরকার ইতিবাচক: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য আহত ঢাকা-পাবনা রুটে নতুন দুই আন্তঃনগর ট্রেন, উদ্বোধন ১৯ নভেম্বর আইইইএফএর প্রতিবেদন : এলএনজিতে বাড়ছে ভর্তুকির চাপ, বিনিয়োগ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা না পেলে বাংলাদেশে হারিয়ে যাবে পর্বতারোহণ: শাকিল একনেকে ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

বিশ্ববাজারে খাদ্যের দাম এপ্রিলে তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ: এফএও

আওয়াজ অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬
  • ১০৯ টাইম ভিউ
বিশ্ববাজারে খাদ্যের দাম এপ্রিলে তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ: এফএও

ইরান যুদ্ধ এবং হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ থাকার প্রভাবে বিশ্ববাজারে খাদ্যের দাম বেড়ে তিন বছরের কিছু বেশি সময়ের মধ্যে এ বছর এপ্রিলে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিশেষ করে উদ্ভিজ্জ তেলের দাম ব্যাপকভাবে বাড়ায় টানা তিন মাস বিশ্বে খাদ্যমূল্যে এই বৃদ্ধি ঘটেছে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) শুক্রবার এ তথ্য জানিয়েছে।

এফএওর প্রধান অর্থনীতিবিদ মাক্সিমো তোরেরো বলেন, জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় জৈব জ্বালানি বা বায়োফুয়েলের চাহিদা বেড়েছে। এই বায়োফুয়েল তৈরিতে সয়াবিন ও পাম অয়েলের মতো তেলসমৃদ্ধ উদ্ভিদের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় ভোজ্যতেলের বাজার অস্থির হয়ে উঠেছে। তবে যুদ্ধজনিত বিশৃঙ্খলার পরও কৃষি-খাদ্য ব্যবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানান তিনি। গত মৌসুমের পর্যাপ্ত মজুত থাকায় খাদ্যশস্যের দাম সামান্যই বেড়েছে বলেও জানান তোরেরো।

মূল্য সূচকের চিত্র

বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দামের ওঠানামা পরিমাপকারী ‘এফএও ফুড প্রাইস ইনডেক্স’ এপ্রিলে টানা তৃতীয় মাসের মতো বেড়ে দাঁড়িয়েছে গড়ে ১৩০ দশমিক ৭ পয়েন্টে, যা গত মার্চের তুলনায় ১ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি এবং ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারির পর সর্বোচ্চ। উল্লেখ্য, ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর ২০২২ সালের মার্চে এই সূচক সর্বোচ্চ ১৬০ দশমিক ২ পয়েন্টে উঠেছিল।

এপ্রিলে ভোজ্যতেলের মূল্য সূচক ৫ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়েছে, যা ২০২২ সালের জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ। মূলত সয়াবিন, সূর্যমুখী, রেপসিড ও পাম অয়েলের দাম বাড়ায় এই সূচক ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। অন্যদিকে গম ও ভুট্টার মতো শস্যের দাম মার্চ থেকে মাত্র ০ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়েছে এবং এক বছর আগের তুলনায় দাম মাত্র ০ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি। আবহাওয়া নিয়ে উদ্বেগ, সারের দাম এবং বায়োফুয়েলের চাহিদা বৃদ্ধি এই মূল্যবৃদ্ধির মূল কারণ।

ব্রাজিলে জবাইযোগ্য গবাদি পশুর সংকটে এপ্রিলে মাংসের দাম ১ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। বিপরীতে ব্রাজিল, চীন ও থাইল্যান্ডে পর্যাপ্ত সরবরাহের পূর্বাভাসে চিনির দাম ৪ দশমিক ৭ শতাংশ কমেছে।

এফএও আলাদা এক প্রতিবেদনে ২০২৫ সালের বৈশ্বিক শস্য উৎপাদনের পূর্বাভাস কিছুটা বাড়িয়ে রেকর্ড ৩০৪ কোটি মেট্রিক টনে উন্নীত করেছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৬ শতাংশ বেশি। তবে সারের উচ্চমূল্যের কারণে ২০২৬ সালে গমের চাষ কমে যেতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর