শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ধর্ম-বর্ণ-সম্প্রদায় নির্বিশেষে সবার কল্যাণে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ কিনতে চুক্তি সই, বদলাচ্ছে বিমানের বহর ফ্রান্সে পুলিশের স্টান গ্রেনেডের আঘাতে শিক্ষার্থীর হাত উড়ে যাওয়ায় গ্রেনেড ব্যবহার স্থগিত ঢাকায় হত্যা করে মরদেহ এনে বসতভিটায় পুতে রাখার অভিযোগ; মূল আসামি গ্রেপ্তার বেক্সিমকো ফার্মার পর্ষদ থেকে বাদ পড়লেন সালমান এফ রহমান রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ একনেকে ১৩ প্রকল্পের অনুমোদন জাতিসংঘে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে বাংলাদেশের প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত রসায়নে নোবেল পুরস্কার পেলেন হেনরি কাগন ও কেনসো সোয়াই ঘরে ঘরে জন্মনিরোধক সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে মুক্তিযোদ্ধাদের নির্ভুল তালিকা করা হবে: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

বিশ্বের সবচেয়ে দামি আটা বিক্রি হচ্ছে করাচিতে!

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১৭ জুলাই, ২০২৩
  • ২১৩ টাইম ভিউ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতির কারণে পাকিস্তানের করাচিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আটার দাম আকাশ ছুঁয়েছে। বর্তমানে সেখানে প্রতি কেজি আটা বিক্রি হচ্ছে ১৬০ রুপিতে। এর ফলে নাভিশ্বাস ছুটছে বাসিন্দাদের। অবশ্য পাকিস্তানের বাকি শহরগুলোতেও আটার দাম করাচির মতোই আকাশছোঁয়া।

বর্তমানে করাচিতে ২০ কেজি আটার ব্যাগ বিক্রি হচ্ছে ৩২০০ রুপিতে। অর্থাৎ অর্থনৈতিক সংকটের মুখে পড়া পাকিস্তানে এই অগ্নিমূল্যেই আটা কিনছেন করাচির মানুষ। অ্যারি নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বের ‘সবচেয়ে দামি’ আটা বিক্রি হচ্ছে করাচিতে।

পাকিস্তান ব্যুরো অব স্ট্যাটিস্টিক্সের (পিবিএস) একটি রিপোর্টের বরাতে প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, করাচিতে ২০ কেজি আটার ব্যাগে ২০০ রুপি বেড়েছে। অন্যদিকে ইসলামাবাদ, রাওয়ালপিন্ডি, শিয়ালকোট এবং খুজদারে যথাক্রমে ১০৬, ১৩৩, ২০০ এবং ৩০০ রুপি বেড়ে।

পাশাপাশি চিনির দাম বেড়ে যাওয়া নিয়েও চিন্তিত জনগণ। এর আগে জানা গিয়েছিল, দেশটির বিভিন্ন অংশে খুচরা বাজারে চিনির দাম প্রতি কেজি ১৬০ রুপি পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। তবে করাচি, ইসলামাবাদ এবং রাওয়ালপিন্ডির মতো শহরে চিনি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ রুপিতে।

উল্লেখ্য, পাকিস্তানের অর্থনৈতিক সংকটের কথা কারও অজানা নয়। দেশটি দীর্ঘ সময় ধরে অর্থনৈতিক টানাপোড়েনে জর্জরিত। বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডারও তলানিতে। ফলে এক মাসের আমদানিও ঠিক মতো করা সম্ভব নয়। সব মিলিয়ে বৈদেশিক মুদ্রার খরচে লাগাম টানতে দেশটি আমদানি প্রায় বন্ধ করে দিয়েছে। যার প্রভাব পড়েছে দেশের বাজারে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর