শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মরিশাসে ভারী কাচের বাক্স চাপায় তিন বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য বিভ্রান্তিকর ও অসত্য দাবি করে নিন্দা জামায়াতের জামায়াতকে রুখে দিতে না পারলে দেশে আরও একটি বিপর্যয় হবে: নুর আওয়ামী লীগ ও সহযোগীদের উসকানিতেই পোশাকশিল্পে অস্থিরতা: রিজভী টেকনাফের পাহাড়ে ৩ মরদেহ, উদ্ধারে যৌথবাহিনীর অভিযান অব্যাহত ৭ নভেম্বরের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের তারিখ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বৈরাচার আওয়ামী লীগকে এ দেশে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজধানীতে যাত্রীবাহী বাসে আগুন ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৫৩৫

মস্কোয় সন্ত্রাসী হামলায় শতাধিক মানুষকে নিরাপদে সরে যেতে সহযোগিতা করেছে ১৫ বছরের কিশোর

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২৫ মার্চ, ২০২৪
  • ১১৫ টাইম ভিউ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : রাশিয়ার মস্কোর উপকণ্ঠে ক্রোকাস সিটি হলের অবস্থান। শুক্রবার সেখানকার কনসার্ট হলে রাশিয়ার রক ব্যান্ড ‘পিকনিক’-এর পরিবেশনা উপভোগ করতে জড়ো হন অনেকে।

হঠাৎই চার বন্দুকধারী ভবনটিতে ঢুকে নির্বিচারে গুলি ছুড়তে শুরু করে। এরপর কনসার্ট হলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এখন পর্যন্ত এ হামলায় অন্তত ১৩৭ জন নিহত হয়েছেন। আহত ১৮০ জন।

এ হামলার সময় ১০০ জনের বেশি মানুষকে নিরাপদে সরে যেতে সহযোগিতা করেছিল এক কিশোর। ওই কিশোরের নাম ইসলাম খালিলভ (১৫)। হামলার স্থান ক্রোকাস সিটি হলের একটি বিশ্রামাগারে পরিচারক হিসেবে কর্মরত ছিল সে।
রাশিয়ার রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত সংবাদ সংস্থা রাপ্টলিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সেদিনের সেই ঘটনার বর্ণনা দিয়েছে এই কিশোর।

খালিলভ বলেছে, ‘লোকজন যখন এসকেলেটর ও সিঁড়ি দিয়ে দৌড়াতে শুরু করল, তখনই বুঝতে পারি খারাপ কিছু একটা ঘটেছে। ক্রোকাস হলে চাকরির সুবাদে পুরো এলাকা আমার পরিচিত ছিল। সে কারণে আতঙ্কিত দর্শনার্থীদের অনেককে আমি হামলাস্থল থেকে নিরাপদ জায়গায় সরে যাওয়ার দিকনির্দেশনা দিতে পেরেছিলাম।’

‘আমি হলজুড়ে ঘুরে ঘুরে চিৎকার করতে শুরু করলাম, ‘বন্ধুরা, গোলাগুলি চলছে। সবাই প্রদর্শনী স্থলের দিকে চলে যান’। তাদের কোথায় যেতে হবে, তা আমি দেখিয়ে দিচ্ছিলাম এবং সবাইকে সহযোগিতা করছিলাম।’

এই কিশোর জানায়, সে নিজে পুরো একটি দলের পেছনে দৌড়াচ্ছিল। কারণ, নিশ্চিত হতে চাচ্ছিল, কেউ যেন তার পেছনে না পড়ে।

খালিলভ স্বীকার করেছে, পুরোটা সময় সে নিজেও আতঙ্কে ছিল। তারপরও জরুরি পরিস্থিতিতে লোকজনকে কীভাবে নিরাপদে সরিয়ে নিতে হবে, সে নির্দেশনা তাঁর মাথায় ছিল। এমন নির্দেশনাগুলো তাকে আগেই দেওয়া ছিল।

সে জানায়, একপর্যায়ে এক বন্দুকধারীও তার নজরে আসে। তিনি একটি অ্যাসল্ট রাইফেল নিয়ে হাঁটাহাঁটি করছিলেন। এক ব্যক্তির ওপর গুলি চালাতেও দেখেছে সে। ভয়ংকর সে দৃশ্য এখনো সে ভুলতে পারছে না।

সূত্র : আরটি

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর