শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যুদ্ধ বন্ধের চাপ বাড়ছে, মরিয়া ট্রাম্প এখন ইরানে হামলা চালালে ঘটতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয় শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ভুটানকে হারিয়ে সাফে শুভসূচনা বাংলাদেশের চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোর নিয়ে সরকার ইতিবাচক: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য আহত ঢাকা-পাবনা রুটে নতুন দুই আন্তঃনগর ট্রেন, উদ্বোধন ১৯ নভেম্বর আইইইএফএর প্রতিবেদন : এলএনজিতে বাড়ছে ভর্তুকির চাপ, বিনিয়োগ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা না পেলে বাংলাদেশে হারিয়ে যাবে পর্বতারোহণ: শাকিল একনেকে ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

মার্কিন পারমাণবিক বিজ্ঞানীদের রহস্যজনক মৃত্যু-নিখোঁজ,তদন্তের নির্দেশ ট্রাম্পের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৩০ টাইম ভিউ
মার্কিন পারমাণবিক বিজ্ঞানীদের রহস্যজনক মৃত্যু-নিখোঁজ,তদন্তের নির্দেশ ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রে পারমাণবিক ও মহাকাশ গবেষণার সঙ্গে যুক্ত একাধিক বিজ্ঞানীর রহস্যজনক মৃত্যু ও নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে। বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, যিনি বলেছেন—খুব শিগগিরই এ রহস্যের স্পষ্ট উত্তর পাওয়া যেতে পারে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, ২০২৩ সাল থেকে অন্তত ৯ থেকে ১০ জন বিজ্ঞানী রহস্যজনকভাবে মারা গেছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন। এদের বেশিরভাগই পারমাণবিক প্রযুক্তি, মহাকাশ গবেষণা এবং উন্নত বৈজ্ঞানিক প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ঘটনাগুলো পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কিত কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন, এটি কাকতালীয় হতে পারে। একই সঙ্গে তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়েছে এবং দ্রুতই তদন্তের অগ্রগতি জানা যাবে।

বার্তাসংস্থা আনাদোলু এজেন্সি জানায়, নিখোঁজ ও নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে কেউ কেউ পারমাণবিক অস্ত্র গবেষণাগার, মহাকাশ প্রযুক্তি উন্নয়ন এবং ফিউশন গবেষণা কেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ফলে ঘটনাগুলো জাতীয় নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট উদ্বেগ তৈরি করেছে।

এদিকে হোয়াইট হাউস-এর প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেন, তিনি এখনো সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে বিস্তারিত কথা বলেননি। তবে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে বলে জানান তিনি।

বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন, ঘটনাগুলোর মধ্যে সরাসরি কোনো সংগঠিত যোগসূত্রের প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়-এর পদার্থবিজ্ঞানী অ্যাভি লোয়েব বলেন, প্রতিটি ঘটনা আলাদাভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন এবং এগুলোকে একক ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখার আগে সতর্ক থাকা উচিত। অন্যদিকে কিছু বিশেষজ্ঞ সম্ভাব্য গুপ্তচরবৃত্তি বা লক্ষ্যভিত্তিক হামলার আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন না। সাবেক এফবিআই কর্মকর্তা ক্রিস সুইকারের মতে, সংবেদনশীল তথ্যের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা ঝুঁকির মুখে থাকতে পারেন।

সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট অনেক বিজ্ঞানী নিখোঁজ হওয়ার আগে বাড়ি থেকে বের হলেও তাদের ব্যক্তিগত জিনিসপত্র—মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ বা চাবি—বাড়িতেই পাওয়া গেছে। আবার কয়েকজন খ্যাতনামা বিজ্ঞানীর মৃত্যু হয়েছে অস্বাভাবিক বা সহিংস পরিস্থিতিতে।

এই ঘটনাগুলোর সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে লস আলামোস ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি, নাসার জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরি এবং এমআইটি প্লাজমা সায়েন্স অ্যান্ড ফিউশন সেন্টার রয়েছে—যেগুলো যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এমন প্রেক্ষাপটে, এসব রহস্যজনক ঘটনার পেছনে নিরাপত্তা ভঙ্গ, গুপ্তচরবৃত্তি বা অন্য কোনো হুমকি রয়েছে কি না—তা নিয়ে তদন্তে গুরুত্ব দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর