শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০২:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যুদ্ধ বন্ধের চাপ বাড়ছে, মরিয়া ট্রাম্প এখন ইরানে হামলা চালালে ঘটতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয় শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ভুটানকে হারিয়ে সাফে শুভসূচনা বাংলাদেশের চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোর নিয়ে সরকার ইতিবাচক: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য আহত ঢাকা-পাবনা রুটে নতুন দুই আন্তঃনগর ট্রেন, উদ্বোধন ১৯ নভেম্বর আইইইএফএর প্রতিবেদন : এলএনজিতে বাড়ছে ভর্তুকির চাপ, বিনিয়োগ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা না পেলে বাংলাদেশে হারিয়ে যাবে পর্বতারোহণ: শাকিল একনেকে ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

যশোরের সাবেক ওসিসহ ১৬ কর্মকর্তার নামে মামলা

অনলাইন ডেক্স :
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ৯৮ টাইম ভিউ

যশোরে যুবককে তুলে নিয়ে মুক্তিপণের সম্পূর্ণ টাকা না পাওয়ায় পায়ে গুলিবিদ্ধ করার অভিযোগে কোতোয়ালি থানার তৎকালীন ওসি শহিদুল ইসলামসহ ১৬ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে।

ঘটনার ১০ বছর পর মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) ভিকটিম যুবকের বাবা যশোর শহরের আরএন রোডের বাসিন্দা বাবু শিকদার বাদী হয়ে আদালতে এ মামলা করেন।

অভিযোগটি আমলে নিয়ে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট গোলাম কিবরিয়া কোতোয়ালি মডেল থানার ওসিকে মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীর আইনজীবী তানজিন নূর পূর্বাশা।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন, কোতোয়ালি থানার তৎকালীন ইন্সপেক্টর (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম, চাঁচড়া ফাড়ির তৎকালীন ইনচার্জ এসআই জামাল উদ্দিন, তৎকালীন টিএসআই রফিক, এসআই মাসুদুর রহমান, মিজানুর রহমান চৌধুরী, এটিএসআই আবু বক্কর সিদ্দিকি, পুলিশ কনস্টেবল খাইরুল ইসলাম, আবু জাফর, জাহিদ সজীবুল, আব্দুল আলীম, জিন্নাত আলী, তারেক ও সোহাগ।

এজাহারে বলা হয়েছে, বাদীর ছেলে সালমান সিকদার ভিকি তার ব্যবসায় সাহায্য করতেন। ২০১৪ সালের ১৫ জুন বিকেলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ছিলেন। এমন সময় এসআই জামাল উদ্দিনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম ভিকিতে আটক করে একটি গাড়িতে করে নিয়ে যান। এসময় বাদীকে চাঁচড়া ফাঁড়িতে আসতে বলেন। বাদী দ্রুত ফাঁড়িতে যান। এসময় তার সামনেই ভিকিকে ব্যাপক মারধর করে ক্রস ফায়ারের ভয় দেখান আসামিরা। এসময় বাদীর কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে অন্যথায় ভিকিকে ক্রসফায়ারে হত্যা করা হবে বলে জানান আসামিরা। এসময় বাদী হাত-পায়ে ধরে ১০ লাখ টাকা দিতে রাজি হন। একপর্যায় তিনি ১০ লাখ টাকা আসামিদের হাতে দেন। এরপর ফের বাকি ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। অন্যথায় পুনরায় ভয়ভীতি দেখাতে থাকেন। টাকা না দেওয়ায় তার ছেলেকে গাড়িতে উঠিয়ে চলে যান আসামিরা। এরপর রাত ১০টার পর চাঁচড়া কবরস্থানের পাশ থেকে ভিকির গুলিবিদ্ধ দেহ উদ্ধার করে। এসময় দেখতে পান আসামিরা বাদীর পায়ে গুলি করেছে। পরে ভিকিকে প্রথমে যশোরে ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকাতে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়। একপর্যায় ভিকির বাম পা কেটে বাদ দিতে হয়। এরপর থেকেই ভিকি পঙ্গুত্ববরণ করে। এরপরও ভিকির নামে দুইটি মিথ্যা মামলা দেওয়া হয় বলে বাদী উল্লেখ করেন।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর