শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১২:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মরিশাসে ভারী কাচের বাক্স চাপায় তিন বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য বিভ্রান্তিকর ও অসত্য দাবি করে নিন্দা জামায়াতের জামায়াতকে রুখে দিতে না পারলে দেশে আরও একটি বিপর্যয় হবে: নুর আওয়ামী লীগ ও সহযোগীদের উসকানিতেই পোশাকশিল্পে অস্থিরতা: রিজভী টেকনাফের পাহাড়ে ৩ মরদেহ, উদ্ধারে যৌথবাহিনীর অভিযান অব্যাহত ৭ নভেম্বরের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের তারিখ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বৈরাচার আওয়ামী লীগকে এ দেশে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজধানীতে যাত্রীবাহী বাসে আগুন ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৫৩৫

যুক্তরাজ্যের মাটির নিচে পাওয়া গেলো সোনার খন্ড

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ২২ মার্চ, ২০২৪
  • ৯৪ টাইম ভিউ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুক্তরাজ্যের শ্রপশায়ারে মাটির নিচে একটি সোনার খণ্ড (গোল্ড নাগেট) পাওয়া গেছে। এটি যুক্তরাজ্যে এখন পর্যন্ত পাওয়া সবচেয়ে বড় সোনার খণ্ড। বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান এই তথ্য জানিয়েছে।

সূত্রটি জানিয়েছে, ঘটনাটি গত মে মাসের। ৬৭ বছর বয়সী ব্রোক তার সমারসেটের বাড়ি থেকে সাড়ে তিন ঘণ্টা দূরত্বে শ্রপশায়ার পাহাড়ি এলাকায় যান। সেখানে একটি কৃষিজমিতে গুপ্তধন খোঁজার জন্য খোঁড়াখুঁড়ির কাজ চলছিল। তবে ওই কৃষিজমিতে ব্রোকের পৌঁছাতে দেরি হয়ে যায়। ধাতব বস্তু শনাক্তের জন্য তার কাছে থাকা কিটটিও ছিল নষ্ট। এমন অবস্থায় ব্রোক পুরোনো এক যন্ত্র দিয়ে কাজ করতে বাধ্য হন। সেটিও ঠিকঠাক কাজ করছিল না। তবে শেষ পর্যন্ত ত্রুটিপূর্ণ যন্ত্র দিয়েই সোনার খণ্ডটি শনাক্ত করেন ব্রোক।

ব্রোক বলেন, আমি আসলে এক ঘণ্টা দেরিতে পৌঁছেছিলাম। ভাবছিলাম আমি তো কাজটিতে অংশ নিতে পারলাম না। সেখানকার সবার কাছে অত্যাধুনিক যন্ত্র ছিল। আর আমার কাছে তিনটি পুরোনো যন্ত্র ছিল। যখন শনাক্তকরণ যন্ত্র দিয়ে কাজ করছিলাম, সেটির ডিসপ্লে ঘোলা ছিল।

মাত্র ২০ মিনিটের মাথায় মাটির নিচ থেকে ৬৪ দশমিক ৮ গ্রাম ওজনের একটি সোনার খণ্ড বের হয়ে আসে। এটি মাটির নিচে প্রায় ১৩-১৫ সেন্টিমিটার গভীরে ছিল। উদ্ধার হওয়া সোনা খণ্ডটির নাম দেওয়া হয়েছে হিরোস নাগেট। এটি এখন নিলামে তোলার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে, নিলামে কমপক্ষে ৩০ হাজার পাউন্ড মূল্যে এটি বিক্রি হবে।

ব্রোক বলেন, আমি যে যন্ত্রটি ব্যবহার করছি, তা খুব একটা কাজের না। কোনোরকমে ঠেলেঠুলে কাজ সারানো যায়।

তবে ব্রোক মনে করেন, এ ঘটনায় প্রমাণ হয়ে গেছে যে কী যন্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে, তা বড় বিষয় নয়। কেউ যদি মাটির ওপর দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় সতর্ক থাকেন এবং মাটির নিচে কী লুকিয়ে আছে তা বুঝতে পারেন, তবে তা থেকে বড় কিছু ঘটে যেতে পারে।

সূত্র : গার্ডিয়ান ও সিএনএন

 

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর