শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মরিশাসে ভারী কাচের বাক্স চাপায় তিন বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য বিভ্রান্তিকর ও অসত্য দাবি করে নিন্দা জামায়াতের জামায়াতকে রুখে দিতে না পারলে দেশে আরও একটি বিপর্যয় হবে: নুর আওয়ামী লীগ ও সহযোগীদের উসকানিতেই পোশাকশিল্পে অস্থিরতা: রিজভী টেকনাফের পাহাড়ে ৩ মরদেহ, উদ্ধারে যৌথবাহিনীর অভিযান অব্যাহত ৭ নভেম্বরের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের তারিখ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বৈরাচার আওয়ামী লীগকে এ দেশে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজধানীতে যাত্রীবাহী বাসে আগুন ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৫৩৫

রাইসির দেহরক্ষীকে ঘিরে রহস্যের জন্ম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৩০ মে, ২০২৪
  • ১১২ টাইম ভিউ

হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির মৃত্যু হয়েছে আজ ১১ দিন। কিন্তু তার মৃত্যু এখনো রহস্যের জন্ম দিয়ে যাচ্ছে। তেমনি এ ঘটনায় ইব্রাহিম রাইসির এক দেহরক্ষীকে নিয়েও রহস্যের জন্ম দিয়েছে। এ ছাড়া কীভাবে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়েছিল সে বিষয়েও সুস্পষ্ট কোন তথ্য জানাতে পারেনি ইরান।

যদিও হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় প্রাথমিক তদন্তের ফলাফলে দেশটির সেনাবাহিনী এর আগে বলেছিল, এখন পর্যন্ত অপরাধমূলক কার্যকলাপ বা নাশকতার কোনো প্রমাণ খুঁজে পাননি তদন্তকারীরা। গত বৃহস্পতিবার (২৩ মে) এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছিল।
এদিকে যুক্তরাজ্যভিত্তক গণমাধ্যম ইরান ইন্টারন্যাশনালের প্রতিবেদনে রাইসির দেহরক্ষীকে নিয়ে এ খরব প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইব্রাহিম রাইসির সাম্প্রতিক ছবিতে দেখা গেছে, তার দেহরক্ষী প্রায় সবসময় তার সঙ্গেই ছিলেন।

তবে নিহতদের তালিকা থেকে জানা গেছে, তিনি সেদিন রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টারে ছিলেন না।
বেল ২১২ হেলিকপ্টার ১৫ জন যাত্রী ধারণ করতে পারে কিন্তু সেদিন ওই হেলিকপ্টারে মাত্র ৮ জন যাত্রী ছিল। এখন প্রশ্ন উঠেছে, কেন ইব্রাহিম রাইসির ব্যক্তিগত দেহরক্ষী অন্য হেলিকপ্টারে উঠেছিলেন সেদিন?

ইরানের প্রেসিডেন্টের ওই দেহরক্ষীর নাম জাভেদ মেহরাবি। তিনি সেদির বহরে থাকে বাকি দুটি হেলিকপ্টারের একটিতে ভ্রমন করেছিলেন।

তবে সাবেক আইআরজিসি কমান্ডার এবং বর্তমান সংসদ সদস্য জেনারেল ইসমায়েল কোসারি রাষ্ট্রপতির রক্ষীদের সম্পর্কে এ দাবিগুলো খারিজ করে দিয়ে বলেছেন, ‘কিছু মিডিয়া অপ্রাসঙ্গিক বিবৃতি তৈরি করছে।’ তিনি আরো বলেন, রাইসির দ্বিতীয় দেহরক্ষী অন্য হেলিকপ্টারে ছিল, কারণ একটি হেলিকপ্টারে একাধিক দেহরক্ষীর প্রয়োজন ছিল না।’
রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারকারী ‘ইসলামিক রিপাকলিক অব ইরান ব্রডকাস্টিং’-এর প্রতিবেদনে গত ২৬শে মে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছিল। তাতে দেখা যায়, দুর্ঘটনার আগে হেলিকপ্টারটি অবতরণের পর জাভেদ মেহরাবিকে রাষ্ট্রপতির হেলিকপ্টার থেকে নামতে দেখা যাচ্ছে। এদিকে ইরানের হামমিহান পত্রিকা বলছে, ফ্লাইটি ফিরে আসার মুহূর্তে কিছু যাত্রীকে অন্য হেলিকপ্টারে নিয়ে যাওয়া হতে পারে।

গত রবিবার ( ১৯মে) ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি একটি বাঁধ উদ্বোধন করতে আজারবাইজান সীমান্তবর্তী এলাকায় গিয়েছিলেন। সেখানে আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভও ছিলেন। সেখান থেকে তিনটি হেলিকপ্টারের বহর নিয়ে পূর্ব আজারবাইজান প্রদেশের রাজধানী তাবরিজে ফিরছিলেন ইব্রাহিম রাইসি ও তার সঙ্গে থাকা অন্য কর্মকর্তারা। পথে পূর্ব আজারবাইজানের জোলফা এলাকার কাছে প্রেসিডেন্টকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়। অন্য দুটি হেলিকপ্টার নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছেছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর