শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যুদ্ধ বন্ধের চাপ বাড়ছে, মরিয়া ট্রাম্প এখন ইরানে হামলা চালালে ঘটতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয় শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ভুটানকে হারিয়ে সাফে শুভসূচনা বাংলাদেশের চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোর নিয়ে সরকার ইতিবাচক: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য আহত ঢাকা-পাবনা রুটে নতুন দুই আন্তঃনগর ট্রেন, উদ্বোধন ১৯ নভেম্বর আইইইএফএর প্রতিবেদন : এলএনজিতে বাড়ছে ভর্তুকির চাপ, বিনিয়োগ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা না পেলে বাংলাদেশে হারিয়ে যাবে পর্বতারোহণ: শাকিল একনেকে ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

রোহিঙ্গা গণহত্যাকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান মিয়ানমারের

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৪১ টাইম ভিউ
রোহিঙ্গা গণহত্যাকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান মিয়ানমারের

রোহিঙ্গা সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে—এমন অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে মিয়ানমার। দেশটি দাবি করেছে, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে চালানো অভিযান ছিল বৈধ সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজি) নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে নেপিদো।

এর আগে ২০১৯ সালে গাম্বিয়া মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আইসিজিতে মামলা করে। মামলায় বলা হয়, ২০১৭ সালে রাখাইনে পরিচালিত অভিযানে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত সহিংসতা ১৯৪৮ সালের জাতিসংঘের গণহত্যা সনদের লঙ্ঘন। ওই অভিযানে হাজার হাজার রোহিঙ্গা নিহত হন, বহু নারী যৌন সহিংসতার শিকার হন। প্রাণ বাঁচাতে ৭ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন।

আইসিজিতে মিয়ানমারের পক্ষে বক্তব্য দিতে গিয়ে প্রতিনিধি কো কো হ্লাইং বলেন, ‘গাম্বিয়া তাদের অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হয়েছে। এই অভিযান সাধারণ নাগরিকদের বিরুদ্ধে নয়, বরং সন্ত্রাসীদের লক্ষ্য করেই পরিচালিত হয়েছে।’

অন্যদিকে, গাম্বিয়ার পক্ষ থেকে বলা হয়, মিয়ানমারের কর্মকাণ্ডে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী ধ্বংসের সুস্পষ্ট উদ্দেশ্য রয়েছে। দীর্ঘদিনের নিপীড়ন এবং ২০১৬–২০১৭ সালের তথাকথিত ‘ক্লিয়ারেন্স অপারেশন’ই এর প্রমাণ। বর্তমানে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অস্থায়ী ও ঘনবসতিপূর্ণ শিবিরে বসবাস করছেন বলে আদালতে উল্লেখ করা হয়।

আইসিজি তিন সপ্তাহ ধরে মামলার প্রমাণ ও যুক্তিতর্ক শুনবেন। এরপর আদালত সিদ্ধান্ত দেবেন, মিয়ানমার গণহত্যা সনদ লঙ্ঘন করেছে কি না। যদিও আইসিজির রায় বাস্তবায়নের নিজস্ব কোনো ব্যবস্থা নেই, তবে গাম্বিয়ার পক্ষে রায় এলে মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক চাপ বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কো কো হ্লাইং আরও বলেন, ‘যদি গণহত্যার দায় প্রমাণিত হয়, তবে তা আমাদের দেশ ও জনগণের ওপর এক অমোচনীয় কলঙ্ক হয়ে থাকবে। তবে আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের নেওয়া পদক্ষেপগুলো দেশের নিরাপত্তা ও ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল।’

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর