আব্দুল মান্নান খাঁ রুদ্রকর ইউনিয়নের মৃত হানিফ খাঁর ছেলে। তিনি ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই নারীর বাড়ি মাদারীপুর জেলায়। তার স্বামী একজন ওমান প্রবাসী। স্বামীর কাছে যাওয়ার জন্য ওই নারী কিছুদিন আগে শরীয়তপুর সদর উপজেলার রুদ্রকর ইউনিয়নের আমিন বাজার এলাকায় সরকারি ট্রেনিং সেন্টারে ভর্তি হন। সেখানেই পরিচয় হয় ইদ্রিস গাজী নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে।
গত ২৫ জুন রাত ৯টার দিকে মাদারীপুর থেকে শরীয়তপুর ট্রেনিং সেন্টারে যাচ্ছিলেন ওই নারী। পথিমধ্যে তাকে বহনকারী অটোরিকশা থামিয়ে তার মুখ বেঁধে একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে ইদ্রিস গাজী।
ইদ্রিস গাজীর সঙ্গে ছিলেন রুদ্রকর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আব্দুল মান্নান খাঁ ও কালাচান খাঁসহ আরও কয়েকজন ব্যক্তি। এ সময় তারা ওই নারীর ভিডিও ধারণ করেন। এক পর্যায়ে ওই নারীর চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে তারা পালিয়ে যান।
এই ঘটনায় গত ৩০ জুন ইদ্রিস গাজী, যুবলীগ নেতা আব্দুল মান্নান খাঁ ও কালাচান খাঁসহ অজ্ঞাত পরিচয়ের আরও চার ব্যক্তিকে আসামি করে আদালতে মামলা করেন ওই ভুক্তভোগী নারী।
এ বিষয়ে শরীয়তপুর জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নুহুন মাদবর বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা ছিলো না। এ ব্যাপারে তদন্ত করা হবে। তিনি যদি সংশ্লিষ্ট কাজের সাথে জড়িত থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’