শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বিকাশ এজেন্ট কর্মীকে গুলি করে ৩ কোটি টাকা লুট, আহত ৩ ডিআইজি পরিচয়ে ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার, ‘অতিরিক্ত ডিআইজি’ বরখাস্ত মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সচেতনতা ও চিকিৎসার ওপর জোর রাষ্ট্রপতির গঙ্গার পানি চুক্তি নিয়ে কারিগরি পর্যায়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে: জয়সোয়াল স্কুলছাত্রী তাজমিন হত্যার আসামিকে আনা হয়েছে কুমিল্লায়, উদ্ধার মোবাইল ফোন এ বছর দুর্গার ঘোড়ায় চড়ে মর্ত্যে আগমন,ঘোড়ায় আগমন আর নৌকায় বিদায় সৌদির বিমানবন্দরে হামলা, ৩ নাগরিক নিহত অক্টোবরের ৯ দিনেই ডেঙ্গুতে অর্ধশত মৃত্যু চট্টগ্রাম বন্দরের চুক্তিকে ‘দেশ বিক্রির চুক্তি’ বলা অমূলক: বাণিজ্যমন্ত্রী জামালপুরে সাংবাদিক ওসমান হারুনীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

সাঈদীকে যুদ্ধাপরাধী বলায় সাংবাদিকদের ওপর হামলা করেছে তার সমর্থকরা

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৩
  • ১২৩ টাইম ভিউ

অনলাইন ডেক্স : মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে যুদ্ধাপরাধী বলায় সাংবাদিকদের ওপর হামলা করেছে তার সমর্থকরা।

সোমবার (১৪ আগস্ট) দিবাগত রাত ১২টার দিকে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সামনে হামলার এই ঘটনা ঘটে।সাইদী সমর্থকদের এই হামলায় বেসরকারি টেলভিশন আরটিভির ক্যামেরাপারসন মানিক, যমুনা টেলিভিশনের রিপোর্টার শান্তসহ তিনজন আহত হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে বিএসএমএমইউ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়।

এদিকে মঙ্গলবার ভোরে বিএসএমএমইউ হাসপাতালের সামনে সাঈদীর সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সাঈদীর মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে দাফনের জন্য পিরোজপুরে পাঠানোর উদ্দেশে রওনা করলে অ্যাম্বুলেন্সটিতে ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট ছোড়ে। এ সময় জামায়াতের নেতাকর্মীরা শাহবাগ এলাকায় ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনে অগ্নিসংযোগ করে তারা।

এর আগে সোমবার রাত ৮টা ৪০ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে কারা হেফাজতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মৃত্যু হয়।

দেলাওয়ার হোসেন সাঈদী গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি ছিলেন। বুকের ব্যথায় অসুস্থ হয়ে পড়ায় রবিবার সেখান থেকে তাকে বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে আনা হয়।

যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালে প্রথম অভিযুক্ত ব্যক্তি হিসেবে জামায়াতের নায়েবে আমির সাঈদীর বিচার শুরু হয়েছিল ২০১১ সালের ৩ অক্টোবর। ৮০ বছর বয়সী সাঈদী তার আগে থেকে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে ছিলেন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট, নির্যাতন ও ধর্মান্তরে বাধ্য করার মতো মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি সাঈদীর মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন।

ওই রায়ের পর দেশজুড়ে সহিংসতা চালায় জামায়াত ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের কর্মীরা। ওই তাণ্ডবে প্রথম তিন দিনেই নিহত হন অন্তত ৭০ জন। এছাড়া বহু গাড়ি-দোকানপাট ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ, হিন্দুদের মন্দির-ঘরবাড়ি ভাংচুর করা হয়।

সাঈদী আপিল করলে ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে রায় দেয়। তাতে সাজা কমে আমৃত্যু কারাদণ্ডের আদেশ আসে। ওই রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন হলেও তাতে কোনো পরিবর্তন আসেনি।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর