শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
টেকনাফের পাহাড়ে ৩ মরদেহ, উদ্ধারে যৌথবাহিনীর অভিযান অব্যাহত ৭ নভেম্বরের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের তারিখ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বৈরাচার আওয়ামী লীগকে এ দেশে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজধানীতে যাত্রীবাহী বাসে আগুন ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৫৩৫ কলেজের অধ্যক্ষকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, শিক্ষার্থীদের ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম হঠাৎ বুকব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি শ্রমমন্ত্রী! হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪ জনের মৃত্যু বিএনপি গায়ের জোরে বেশিদিন ক্ষমতায় থাকতে পারবে না: নাহিদ ইসলাম

৭ নভেম্বরের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

আওয়াজ অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬
  • ৬ টাইম ভিউ
৭ নভেম্বরের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
ছবি- সংগৃহীত

মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দল-মতনির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ৭ নভেম্বর মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি দেশবাসীর প্রতি এ আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসে একটি অবিস্মরণীয় দিন। ওই দিন সিপাহি-জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবের মধ্য দিয়ে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার নতুন অধ্যায় সূচিত হয়। এ সময় বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। পরে জনগণের অকুণ্ঠ সমর্থনে রাষ্ট্র পরিচালনা ও জাতীয় সংকট মোকাবিলার দায়িত্ব তার ওপর অর্পিত হয়।

বাণীতে তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ সিপাহি ও জনতার ঐক্যবদ্ধ জাগরণের প্রতিফলন দেখা গেছে ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানেও। ছাত্র-ছাত্রী, নারী-পুরুষ, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যসহ সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণে দীর্ঘ ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা থেকে রক্ষা পায়।

রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, ৭ নভেম্বরের বিপ্লব ও সংহতির চেতনা বাংলাদেশের জাতীয় জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ধারাবাহিকতায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং বাক্‌ ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। পাশাপাশি অর্থনৈতিক মুক্তি, সামাজিক শান্তি ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন। নতজানু পররাষ্ট্রনীতির পরিবর্তে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে দেশকে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেওয়ার কথা তুলে ধরেন তিনি।

দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি বলেন, জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে ষড়যন্ত্র হয়েছে। গণতন্ত্র বাধাগ্রস্ত হয়েছে এবং ফ্যাসিবাদী শাসনের কারণে দেশকে সংকটের মুখে পড়তে হয়েছে। তবে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নির্বাচিত সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ আবারও গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে।

এই অগ্রযাত্রা ধরে রাখতে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাসহ রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানকে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। জাতীয় সংকট ও সমস্যা সমাধানে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, আলোচনা এবং জাতীয় সংসদকে কেন্দ্রবিন্দুতে রাখার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।

তিনি বলেন, ৭ নভেম্বরের প্রত্যাশা বাস্তবায়নে দেশ ও জনগণের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ দর্শনের ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালনার পাশাপাশি জাতীয় স্বার্থ, সাম্য, ন্যায্যতা ও গণতান্ত্রিক চর্চাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

বাণীর শেষাংশে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষার পাশাপাশি দুর্নীতি, বৈষম্য ও সব ধরনের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি। একই সঙ্গে মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন তিনি।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর