শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য বিভ্রান্তিকর ও অসত্য দাবি করে নিন্দা জামায়াতের জামায়াতকে রুখে দিতে না পারলে দেশে আরও একটি বিপর্যয় হবে: নুর আওয়ামী লীগ ও সহযোগীদের উসকানিতেই পোশাকশিল্পে অস্থিরতা: রিজভী টেকনাফের পাহাড়ে ৩ মরদেহ, উদ্ধারে যৌথবাহিনীর অভিযান অব্যাহত ৭ নভেম্বরের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের তারিখ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বৈরাচার আওয়ামী লীগকে এ দেশে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজধানীতে যাত্রীবাহী বাসে আগুন ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৫৩৫ কলেজের অধ্যক্ষকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, শিক্ষার্থীদের ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

আবারো পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের হুমকি পুটিনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৬ জুন, ২০২৪
  • ৯৭ টাইম ভিউ

ইউক্রেন পশ্চিমা অস্ত্র ব্যবহার করে রাশিয়ার ভূখণ্ডে হামলার ছাড়পত্র পাওয়ার ফলে যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি যে বদলে যেতে পারে, মস্কোয় সেই আশঙ্কা বেড়ে চলেছে। প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন পশ্চিমাবিশ্বকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, পশ্চিমা অস্ত্র ব্যবহার করে রাশিয়ার ভূখণ্ডের আরো গভীরে হামলা হলে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের খুব কাছে অন্যান্য দেশেও প্রচলিত ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করতে পারেন। ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাগুলোর উচ্চপদস্থ সম্পাদকদের সঙ্গে প্রথম সাক্ষাতে পুতিন এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি আরো বলেন, যে রাশিয়া কখনো পরমাণু অস্ত্র প্রয়োগ করবে না, পশ্চিমাবিশ্বের এমন অনুমান ভুল।

আপাতত যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের অস্ত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রে ইউক্রেনকে কিছু শর্ত মেনে চলতে হচ্ছে। খারকিভের ওপর রাশিয়ার হামলার প্রেক্ষাপটে সীমান্তের ঠিক অপর প্রান্তে রাশিয়ার লক্ষ্যবস্তুর ওপর কিছু পশ্চিমা অস্ত্র প্রয়োগের ছাড়পত্র পেয়েছে রাশিয়া। পুতিন বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরে বলেন, ইউক্রেন যদি আরো শক্তিশালী অস্ত্র দিয়ে রাশিয়ায় আঘাত হানে, সে ক্ষেত্রে পশ্চিমাবিশ্বও রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটাক্যামস এবং ব্রিটেন ও ফ্রান্সের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা হামলার সময় ধ্বংস করা হবে বলে তিনি হুমকি দেন।

পুতিন বলেন, উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রে পশ্চিমাবিশ্বের সামরিক বাহিনীর সদস্যরা নিয়ন্ত্রণ ও লক্ষ্যবস্তু বাছাইয়ের কাজে জড়িত থাকেন। সে কারণে মস্কোও বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে ‘অপ্রতিসম’ পদক্ষেপ নিতে পারে। মার্কিন সেনাবাহিনী অবশ্য এমন অভিযোগ অস্বীকার করে।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মানুষের মনে ইউক্রেন সম্পর্কে কোনো আগ্রহ নেই।

তারা নিজের দেশের মহিমায় আগ্রহী। আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলের পরোয়া না করে পুতিন বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ভেতর থেকেই নিজেকে ও নিজস্ব রাজনৈতিক ব্যবস্থা পুড়িয়ে দিচ্ছে। বিশেষ করে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়ার সমালোচনা করেন তিনি। তবে জো বাইডেন বা ট্রাম্প, যিনিই পরবর্তী মার্কিন প্রেসিডেন্ট হোন না কেন, রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোনো পরিবর্তনের আশা করছেন না পুতিন।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট বাইডেনকে লেখা এক চিঠির উল্লেখ করে দাবি করেন, পশ্চিমাবিশ্ব চাইলে দুই বা তিন মাসের মধ্যে ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করতে পারত।

ওয়াশিংটন ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করলেই না কি শান্তি ফেরানো সম্ভব হতো। তিনি আরো দাবি করেন, ইউক্রেনের হাতে এক হাজার ৩০০-এরও বেশি রুশ সেনা বন্দি রয়েছে। রাশিয়া ছয় হাজার ৪০০-এরও বেশি ইউক্রেনীয় সেনাকে যুদ্ধবন্দি করেছে।

 

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর