শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
যুদ্ধ বন্ধের চাপ বাড়ছে, মরিয়া ট্রাম্প এখন ইরানে হামলা চালালে ঘটতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয় শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ভুটানকে হারিয়ে সাফে শুভসূচনা বাংলাদেশের চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোর নিয়ে সরকার ইতিবাচক: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য আহত ঢাকা-পাবনা রুটে নতুন দুই আন্তঃনগর ট্রেন, উদ্বোধন ১৯ নভেম্বর আইইইএফএর প্রতিবেদন : এলএনজিতে বাড়ছে ভর্তুকির চাপ, বিনিয়োগ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা না পেলে বাংলাদেশে হারিয়ে যাবে পর্বতারোহণ: শাকিল একনেকে ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

রংপুরে সাঈদ হত্যা মামলায় ১৬ বছরের শিশু আলফি কারাগারে

নাহিদ সরকার, রংপুর
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ১ আগস্ট, ২০২৪
  • ১৯১ টাইম ভিউ

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলায় প্রায় ১৬ বছর বয়সী শিক্ষার্থী আলফি শাহরিয়ার মাহিমকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) বিকেলে আলফিকে আটক ও কারাগারে পাঠানোর কথা জানিয়েছে পুলিশ।

তবে তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে জানিয়েছে নগর পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা জানান, গত ১৮ ও ১৯ জুলাই সংঘাত-সংঘর্ষ পরিস্থিতিতে যাচাই বাছাই করার সুযোগ না থাকায় এমন ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি নিয়ে তারা অবগত হয়েছেন।

আটক শিশু আলফি শাহরিয়ার মাহিম গত বছর রংপুর নগরীর আশরতপুর চকবাজার এলাকার সিদ্দিক মেমোরিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি পাস করেন। তার বাবা মোহাম্মদ শাহজালাল চকবাজার এলাকার বাসিন্দা এবং পেশায় একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। আলফি শাহরিয়ার মাহিম রংপুর পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র।

জানা গেছে, রংপুরে কোটা সংস্কার আন্দোলনে গত ১৬ জুলাই বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে পুলিশ ও ছাত্রলীগ-যুবলীগের সঙ্গে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে পুলিশের গুলিতে আবু সাঈদের মৃত্যু হয়। ১৭ জুলাই তাজহাট থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বিভূতিভূষণ রায় বাদী হয়ে মামলা করেছিলেন।

এদিকে, ছোট ভাইয়ের কোনো খোঁজ না মেলায় বুধবার (৩১ জুলাই) আফলি শাহরিয়ারের বোন সানজানা আখতার স্নেহা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিলে বিষয়টি আলোচনায় আসে। এরপরই কিশোর শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার ও কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। এর আগে আলফিকে আটকের বিষয়টি অগোচরেই থেকে যায় সংশ্লিষ্ট সবার।

মাহিমের বোন সানজানা আকতার স্নেহা জানিয়েছেন, ১৮ জুলাই সে কলেজের উদ্দেশে বের হয় এবং পরে জানতে পারে সেদিনের পরীক্ষা স্থগিত হয়েছে। তখন বন্ধুদের সাথে মিছিলের মাঝে জড়িয়ে যায় এবং পুলিশের টিয়ারশেলে বন্ধুদের থেকে আলাদা হয়ে যায়। আমরা ওইদিন বিকেলে ৪টায় ওর বন্ধুদের থেকে জানতে পারি তার পায়ে রাবার বুলেট লেগেছে। স্থানীয়রা কোনো হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছে। তবে কোন হাসপাতালে সে ভর্তি আছে আমরা তার খোজঁ পাচ্ছিলাম না।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর