শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যুদ্ধ বন্ধের চাপ বাড়ছে, মরিয়া ট্রাম্প এখন ইরানে হামলা চালালে ঘটতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয় শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ভুটানকে হারিয়ে সাফে শুভসূচনা বাংলাদেশের চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোর নিয়ে সরকার ইতিবাচক: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য আহত ঢাকা-পাবনা রুটে নতুন দুই আন্তঃনগর ট্রেন, উদ্বোধন ১৯ নভেম্বর আইইইএফএর প্রতিবেদন : এলএনজিতে বাড়ছে ভর্তুকির চাপ, বিনিয়োগ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা না পেলে বাংলাদেশে হারিয়ে যাবে পর্বতারোহণ: শাকিল একনেকে ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

ইলন মাস্কের নাগরিকত্ব বাতিল চান দেড় লাখ কানাডিয়ান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৮৯ টাইম ভিউ

বিশ্বের শীর্ষ ধনকুবের ইলন মাস্কের কানাডার নাগরিকত্ব বাতিল করতে দেশটির দেড় লাখের বেশি নাগরিক একটি পার্লামেন্টারি পিটিশনে সই করেছেন। তাদের যুক্তি, মাস্ক যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র, আর ট্রাম্প তার দ্বিতীয় মেয়াদে কানাডার স্বাধীনতা হুমকির মুখে ফেলে দেশটিকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্যে পরিণত করার হুমকি দিয়ে আসছেন।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার লেখক কোয়ালিয়া রিড এ পিটিশনটি কানাডার হাউস অব কমন্সে উত্থাপন করেন। নিউ ডেমোক্রেটিক পার্টির এমপি ও মাস্কের সমালোচক চার্লি অ্যাঙ্গাসের অর্থায়নে এ পিটিশনটি পরিচালিত হয়।দক্ষিণ আফ্রিকায় জন্ম নেওয়া মাস্ক বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কোম্পানি টেসলা, স্পেসএক্স এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম এক্স-এর প্রধান। তার মায়ের সূত্র ধরে তিনি কানাডার নাগরিক।

মাস্কের মায়ের জন্মস্থান কানাডার সাসকাচোওয়ান প্রদেশের রাজধানী রেজিনা।ইলন মাস্ক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরামর্শদাতার পাশাপাশি মার্কিন সরকারের নতুন অঙ্গ সরকারি কর্মদক্ষতা বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সরকারের আকার কমানোর পক্ষে কাজ করে যাচ্ছেন। ২০ জানুয়ারি দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার পর থেকে ট্রাম্প বারবার কানাডার সার্বভৌমত্বকে চ্যালেঞ্জ করে আসছেন।

গত ২০ ফেব্রুয়ারি দাখিল করা রিডের পিটিশনে অভিযোগ করা হয়েছে, মাস্ক ‘ট্রাম্পের উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করার মাধ্যমে কানাডার জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত’ হয়েছেন। ট্রাম্প কানাডার পণ্যে উচ্চ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়ে ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দেশটি সংযুক্ত করার বিষয়ে প্রকাশ্যে দম্ভোক্তি করে কানাডার ৪ কোটি মানুষের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছেন।পিটিশনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র হওয়া মানে মাস্ক এমন এক ‘বিদেশি সরকারের সদস্য, যারা কানাডার সার্বভৌমত্ব মুছে ফেলতে চায়।’

এই পিটিশনে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর কাছে মাস্কের নাগরিকত্ব অবিলম্বে বাতিল করার এবং তাঁর কানাডীয় পাসপোর্ট প্রত্যাহার করার দাবি জানানো হয়েছে।ট্রাম্প আগেও ট্রুডোকে ব্যঙ্গ করে ‘গভর্নর’ বলেছেন। এই শব্দটি সাধারণত যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্যগুলোর প্রধান নির্বাহীদের জন্য ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে, ট্রুডো লিবারেল পার্টির প্রধানের পদ ছাড়ার ঘোষণা দেওয়ার পর মাস্ক এক্সে ব্যাপক উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

কানাডার সংবাদমাধ্যম কানাডীয় প্রেস জানিয়েছে, সাধারণত এ ধরনের পিটিশনটি স্বীকৃতি পাওয়ার জন্য কমপক্ষে ৫০০ স্বাক্ষর প্রয়োজন, যাতে এটি হাউস অব কমন্সে উপস্থাপন করা যায় এবং সরকারিভাবে প্রতিক্রিয়া পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। রিডের পিটিশন সহজেই এই শর্ত পূরণ করেছে এবং রোববার রাত পর্যন্ত এতে প্রায় ১ লাখ ৫৭ হাজার স্বাক্ষর পড়েছে এবং ক্রমাগত বাড়ছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর