অনলাইন ডেস্ক : পবিত্র ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে গতকাল থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জ সিদ্ধিরগঞ্জ অংশে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ থাকলেও আজ সকাল থেকে কোনো চাপ নেই বললেই চলে। ফলে যাত্রীরা কোনো রকম ভোগান্তি ছাড়াই খুব সহজেই একস্থান থেকে আরেক স্থানে চলাচল করতে পারছেন।
বুধবার (১৯ এপ্রিল) সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল মোড় ও সাইনবোর্ডে সরেজমিনে গিয়ে এমনই চিত্র দেখা যায়।
সানারপাড় থেকে চট্টগ্রামে যাওয়ার উদ্দেশ্যে পরিবার নিয়ে শিমরাইল এলাকায় এসেছেন রায়হান হোসেন সুমন নামের এক চাকুরিজীবী। তার সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, আজ থেকে ইদের ছুটি শুরু হয়েছে। তাই দেরি না করে আজই পরিবার নিয়ে নিজ গ্রামের বাড়ি যাচ্ছি। ভেবেছিলাম মহাসড়কে যানজট থাকতে পারে, কিন্তু এসে দেখি মহাসড়ক একদমই ফাঁকা। আশা করছি, ভোগান্তি ছাড়াই গ্রামের বাড়ি যেতে পারবো।
আল-আমীন হোসেন পেশায় সরকারি কর্মকর্তা। তিনি জানান, গত কয়েকদিন ধরে প্রচুর গরম থাকায় সকালেই গ্রামে চলে যাচ্ছি। গ্রামে সবার সঙ্গে ঈদ পালন করতে না পারলে ইদের আনন্দটাই মাটি হয়ে যাবে।
সোলায়মান মিয়া নামের এক বাসচালক জানান, এখনো পর্যন্ত মহাসড়কে কোথাও কোনো যানজটের সৃষ্টি হয় নি। তাই খুব তাড়াতাড়ি সায়দাবাদ থেকে শিমরাইল এলাকায় চলে আসতে পেরেছি। ঈদের আগের দিন পর্যন্ত মহাসড়কের পরিস্থিতি এমন থাকলে আমাদের এবার যাত্রী নিয়ে যাতায়াত করতে কোনো সমস্যায় পড়তে হবে না।
এ বিষয়ে কাঁচপুর হাইওয়ে থানার শিমরাইল ক্যাম্পের টিআই একেএম শরফুদ্দিন জানান, গতকাল মহাসড়কে যাত্রীদের পাশাপাশি যানবাহনের চাপ থাকলেও আজ সকালে কোনো চাপ নেই বললেই চলে। যানজট নিরসনে আমার এরিয়ার প্রতিটি পয়েন্টে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আশা করছি, এবার যাত্রীরা নির্বিঘ্নেই তাদের গন্তব্য স্থলে যেতে পারবে। সূত্র :অধিকার