শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যুদ্ধ বন্ধের চাপ বাড়ছে, মরিয়া ট্রাম্প এখন ইরানে হামলা চালালে ঘটতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয় শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ভুটানকে হারিয়ে সাফে শুভসূচনা বাংলাদেশের চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোর নিয়ে সরকার ইতিবাচক: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য আহত ঢাকা-পাবনা রুটে নতুন দুই আন্তঃনগর ট্রেন, উদ্বোধন ১৯ নভেম্বর আইইইএফএর প্রতিবেদন : এলএনজিতে বাড়ছে ভর্তুকির চাপ, বিনিয়োগ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা না পেলে বাংলাদেশে হারিয়ে যাবে পর্বতারোহণ: শাকিল একনেকে ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

একাধিক বিস্ফোরণে কাঁপল সুদান, ভয়াবহ আগুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ৬ মে, ২০২৫
  • ১০৬ টাইম ভিউ

সুদানের পোর্ট সুদান শহরে একাধিক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এর ফলে ভয়াবহ আগুনের সূত্রপাত হয়। ধারণা করা হচ্ছে, দেশটির আধাসামরিক র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) ছোড়া ড্রোন জ্বালানি ডিপোতে আঘাত হানায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আলজাজিরা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সুদানে চলমান গৃহযুদ্ধ তৃতীয় দিনের জন্য শান্ত শহরটিকে কাঁপিয়ে তুলেছে। ধোঁয়ার কালো কুণ্ডলী উঠতে দেখা যাচ্ছে দেশের প্রধান সামুদ্রিক বন্দরের আশপাশের এলাকা থেকে।

বাসিন্দাদের মতে, এটি আরএসএফের ড্রোন হামলা ছিল। তারা শহরের জ্বালানি ডিপো, বিমান ঘাঁটি ও বন্দরের আশপাশকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। সুদানের সেনাবাহিনী এবং আরএসএফের মধ্যে সংঘাত বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ মানবিক সংকট তৈরি করেছে। রোববার থেকে শুরু হওয়া লোহিত সাগর উপকূলীয় শহরে এই আক্রমণ যুদ্ধের তীব্রতা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়।

রোববার দেশটির একমাত্র কার্যকর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে একটি সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালানো হয়। এরপর সোমবার শহরের জ্বালানি ডিপোগুলোকে লক্ষ্য করে চালানো হয় হামলা। উভয় হামলায় আরএসএফকে দায়ী করে সামরিক সূত্র। সামরিক সূত্র আরও জানিয়েছে, সেনাবাহিনী আরএসএফ-নিয়ন্ত্রিত নিয়ালা বিমানবন্দরে একটি বিমান এবং অস্ত্র ডিপো ধ্বংস করেছে। এরপরই এই হামলাগুলো করা হয়। যদিও হামলার দায় স্বীকার করেনি আরএসএফ।

প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে আরএসএফ সুদানের নিয়ন্ত্রণের জন্য সেনাবাহিনীর সঙ্গে লড়াই করে আসছে, যার ফলে হাজার হাজার মানুষ মারা গেছে। বর্তমানে এটি বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ মানবিক সংকটগুলির মধ্যে একটি। জাতিসংঘ এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের মতে, ২০ হাজারেরও এরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে এবং ১.৫ কোটি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। তবে মার্কিন গবেষকরা মৃতের সংখ্যা প্রায় এক লাখ ৩০ হাজার বলে অনুমান করেছেন।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর