শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
যুদ্ধ বন্ধের চাপ বাড়ছে, মরিয়া ট্রাম্প এখন ইরানে হামলা চালালে ঘটতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয় শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ভুটানকে হারিয়ে সাফে শুভসূচনা বাংলাদেশের চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোর নিয়ে সরকার ইতিবাচক: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য আহত ঢাকা-পাবনা রুটে নতুন দুই আন্তঃনগর ট্রেন, উদ্বোধন ১৯ নভেম্বর আইইইএফএর প্রতিবেদন : এলএনজিতে বাড়ছে ভর্তুকির চাপ, বিনিয়োগ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা না পেলে বাংলাদেশে হারিয়ে যাবে পর্বতারোহণ: শাকিল একনেকে ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

ওপেক ছাড়ল আমিরাত, বৈশ্বিক তেল রপ্তানিকারক গোষ্ঠীতে বড় ধাক্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১০৮ টাইম ভিউ
ওপেক ছাড়ল আমিরাত, বৈশ্বিক তেল রপ্তানিকারক গোষ্ঠীতে বড় ধাক্কা

তেল রপ্তানিকারক ও উৎপাদনকারী দেশগুলোর দুটি জোট ওপেক এবং ওপেক প্লাস থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। ইরান যুদ্ধে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি এমন সিদ্ধান্ত নিল।

ভূরাজনীতি থেকে শুরু করে উৎপাদন সংক্রান্ত কোটা নিয়ে বিরোধ থাকলেও জোট দুটি দীর্ঘদিন ধরে তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণ ও সরবরাহের বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ ছিল। আমিরাতের বেরিয়ে যাওয়ার ঘটনায় এখন বিশৃঙ্খলা ও ঐক্যের শক্তি কমে যেতে পারে। বিশেষ করে জোট দুটির অঘোষিত নেতা সৌদি আরবের জন্য এই ঘোষণা বড় একটি আঘাত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ওপেক ছাড়ার কারণ হিসেবে আমিরাতের জ্বালানিবিষয়ক মন্ত্রী সুহাইল মোহাম্মদ আল-মাজরুয়ি রয়টার্সকে বলেছেন, ‘আঞ্চলিক শক্তিগুলোর জ্বালানি কৌশল পর্যালোচনার পর তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’ সৌদি আরবের সঙ্গে পরামর্শ করা হয়েছিল কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে আল-মাজরুয়ি বলেন, অন্য কোনো দেশের সঙ্গে আলোচনা হয়নি।

আমিরাতের বেরিয়ে যাওয়াটাকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য একটি বড় অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে। ট্রাম্প এর আগে অভিযোগ করেছিলেন, তেলের দাম বাড়িয়ে ওপেক বিশ্বের বাকি দেশগুলো ঠকাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, উপসাগরীয় দেশগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা দেওয়ার সঙ্গে তেলের দামের সম্পর্ক আছে। তাঁর ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্র যখন ওপেক সদস্য দেশগুলোকে রক্ষা করছে, তখন তারা তেলের উচ্চ দাম চাপিয়ে দিয়ে সুযোগ নিচ্ছে।

আমিরাত মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম জ্বালানি রপ্তানিকারক ও যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র হিসেবে পরিচিত। জ্বালানিমন্ত্রী আল-মাজরুয়ি বলেন, ‘এটি একটি নীতিগত সিদ্ধান্ত। উৎপাদনের মাত্রা সংক্রান্ত বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নীতিগুলো সতর্কভাবে পর্যালোচনার পর এটি নেওয়া হয়েছে।’

আমিরাতের অভিযোগ ইরানের হামলার সময় অন্য আরব দেশগুলো নিজেদের সম্পদ রক্ষায় যথেষ্ট উদ্যোগ নেয়নি। সোমবার গালফ ইনফ্লুয়েন্সার্স ফোরাম-এর এক সেশনেও ইরানের হামলার বিপরীতে আরব এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রতিক্রিয়ার সমালোচনা করেন আমিরাতের প্রেসিডেন্টের কূটনৈতিক উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ। তিনি বলেন, গালফ কোঅপারেশন কাউন্সিল (জিসিসি) বা উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের সদস্যরা একে অপরকে লজিস্টিক সহায়তা দিয়েছে। কিন্তু রাজনৈতিক ও সামরিকভাবে তাদের অবস্থান ছিল সবচেয়ে দুর্বল।

উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি রপ্তানি প্রায় দেড় মাস ধরে বন্ধ আছে। সুহাইল মোহাম্মদ আল-মাজরুয়ি বলছেন, প্রণালি যেহেতু প্রায় অচল তাই, তাদের ওপেক ছাড়ার সিদ্ধান্ত এখনই বাজারে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে না।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর