শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যুদ্ধ বন্ধের চাপ বাড়ছে, মরিয়া ট্রাম্প এখন ইরানে হামলা চালালে ঘটতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয় শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ভুটানকে হারিয়ে সাফে শুভসূচনা বাংলাদেশের চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোর নিয়ে সরকার ইতিবাচক: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য আহত ঢাকা-পাবনা রুটে নতুন দুই আন্তঃনগর ট্রেন, উদ্বোধন ১৯ নভেম্বর আইইইএফএর প্রতিবেদন : এলএনজিতে বাড়ছে ভর্তুকির চাপ, বিনিয়োগ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা না পেলে বাংলাদেশে হারিয়ে যাবে পর্বতারোহণ: শাকিল একনেকে ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

কাশ্মীরেই লুকিয়ে আছে পেহেলগাম হামলার সন্ত্রাসীরা; মজুদ রয়েছে পর্যাপ্ত রসদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ২ মে, ২০২৫
  • ৯৭ টাইম ভিউ

ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরের পেহেলগামে পর্যটকদের ওপর ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত চার জঙ্গি এখনো দক্ষিণ কাশ্মীরের ঘন জঙ্গলে লুকিয়ে রয়েছে বলে ধারণা করছে ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ)। এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, এই সন্ত্রাসীরা দীর্ঘ সময় আত্মগোপনে থাকার মতো প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে এমনকি খাবারসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামও তারা আগে থেকেই মজুদ করে রেখেছিল।

এনআইএর তদন্তে উঠে এসেছে, ২২ এপ্রিলের হামলায় অংশ নেওয়া সন্ত্রাসীরা অত্যন্ত সংগঠিত ও স্বনির্ভর ছিল। ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর একাধিক অভিযান সত্ত্বেও তারা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে। গোয়েন্দাদের ধারণা, পাকিস্তান থেকেও তারা আগেই প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সহায়তা পেয়ে থাকতে পারে।তদন্তে আরও জানা গেছে, ওজিডব্লিউ (ওভার গ্রাউন্ড ওয়ার্কার্স) এবং স্থানীয় সহানুভূতিশীলদের মাধ্যমে সন্ত্রাসীরা সহযোগিতা পেয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। সন্দেহভাজন অনেককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে এবং এর ভিত্তিতে আরু ও বেতাব উপত্যকাসহ চারটি স্থানে তল্লাশি চালানো হয়েছে।

সন্ত্রাসীদের ব্যবহৃত প্রযুক্তি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গোয়েন্দারা। তারা এমন উন্নত যোগাযোগ সরঞ্জাম ব্যবহার করেছে, যেগুলোতে সিম কার্ডের প্রয়োজন ছিল না এবং স্বল্প পাল্লার এনক্রিপ্টেড ট্রান্সমিশনের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করা যেত। জানা গেছে, তারা হামলার সময় অন্তত তিনটি স্যাটেলাইট ফোন ব্যবহার করে, যাতে নিরাপত্তা বাহিনী হামলার আগে কোনো তথ্য আঁচ করতে না পারে।

হামলার কৌশলও ছিল অত্যন্ত পরিকল্পিত। তিনজন হামলাকারী আশেপাশের গোপন স্থান থেকে বেরিয়ে পর্যটকদের ওপর গুলি চালায়, আর চতুর্থজন ব্যাকআপ হিসেবে দূরে অবস্থান নেয়। গোয়েন্দাদের ধারণা, এই চারজন ছাড়াও আরও অনেকে আশপাশে লুকিয়ে থাকতে পারে, যারা এই হামলায় সহায়তা করেছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর