শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মরিশাসে ভারী কাচের বাক্স চাপায় তিন বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য বিভ্রান্তিকর ও অসত্য দাবি করে নিন্দা জামায়াতের জামায়াতকে রুখে দিতে না পারলে দেশে আরও একটি বিপর্যয় হবে: নুর আওয়ামী লীগ ও সহযোগীদের উসকানিতেই পোশাকশিল্পে অস্থিরতা: রিজভী টেকনাফের পাহাড়ে ৩ মরদেহ, উদ্ধারে যৌথবাহিনীর অভিযান অব্যাহত ৭ নভেম্বরের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের তারিখ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বৈরাচার আওয়ামী লীগকে এ দেশে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজধানীতে যাত্রীবাহী বাসে আগুন ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৫৩৫

কেশপুরে হাতির হানায় বিঘার পর বিঘা আলুর জমি নষ্ট, বন দপ্তরের উপর ক্ষুব্দ চাষীরা

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ১০৭ টাইম ভিউ

রিপোর্টার, সমরেশ রায়, ও। শম্পা দাস, কলকাতা : শুক্রবার ২৩শে ফেব্রুয়ারী আবার ঘটে গেল পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুর এলাকায়, হাতির হানায় বিঘার পর বিঘা জমির আলু ও ধান চাষ নষ্ট। চাষীরা বন দপ্তরের উপর ক্ষুব্ধ।বছরের পর বছর পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুর এলাকার ,দুই নম্বর অঞ্চলের অন্তর্গত, রাজ্য গ্রাম খড়িগাড়িয়া হাত বান্দী ও মহাডিয়া এলাকায়,  আলু চাষের সময় হাতির দল এসে বিঘের পর বিঘে আলুর চাষ ও ধান চাষ নষ্ট করে যাচ্ছে।

অথচ বনদপ্তরের অফিসাররা চোখ বন্ধ করে হাত গুটিয়ে বসে রয়েছে, এমনই অভিযোগ চাষীদের, বৃহস্পতিবার রাতে গরবেতা ব্লকের মাটির জঙ্গল থেকে একটি হাতির দল কেশপুর ব্লক এর রাজ্যগ্রাম খড়িগাড়িয়া হাতিবান্দী ও মহাডিয়া এলাকায়, প্রায় দেড়শ থেকে ২০০ বিঘা জমির উপর রাতের অন্ধকারে ঘুরে বেড়াতে থাকে এই হাতির দল। এবং সম্পূর্ণ চাষ নষ্ট করে দেয়।, ফলে নষ্ট হয়েছে আলু ও ধান চাষ।

এলাকার এক কৃষক প্রথীক মন্ডল জানান, বনদপ্তর শুধু মাত্র এসে গাড়িতে বসে বসে চলে গেছে, হাতিগুলিকে তাড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার কোন ব্যবস্থাই করেননি, সরকারের কাছে আমরা এর ক্ষতিপূরণের দাবী করেছি।

আরোএক কৃষক সমর ঘোষ বিস্ফোরক অভিযোগ করেন বন দপ্তরের বিরুদ্ধে, তিনি বলেন বন দপ্তরের আধিকারিকদের বলতে গেলে তাহারা জানায়, যত বেশি দিন হাতি নামবে ও ক্ষতি করবে, তত তাদের বেতন বৃদ্ধি হবে, তাই তারা কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন না, হাতির দল  চাষের জমিতে নেমে চাষ ক্ষতি করলেও বন দপ্তরের অফিসারদের দেখা মিলেনি। তাই চাষীরা ক্ষোভে ফুঁসতে থাকে এলাকার মানুষ বন দপ্তরের উপর, তাই ক্ষতিপূরণের দাবি করছেন।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর