শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যুদ্ধ বন্ধের চাপ বাড়ছে, মরিয়া ট্রাম্প এখন ইরানে হামলা চালালে ঘটতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয় শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ভুটানকে হারিয়ে সাফে শুভসূচনা বাংলাদেশের চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোর নিয়ে সরকার ইতিবাচক: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য আহত ঢাকা-পাবনা রুটে নতুন দুই আন্তঃনগর ট্রেন, উদ্বোধন ১৯ নভেম্বর আইইইএফএর প্রতিবেদন : এলএনজিতে বাড়ছে ভর্তুকির চাপ, বিনিয়োগ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা না পেলে বাংলাদেশে হারিয়ে যাবে পর্বতারোহণ: শাকিল একনেকে ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

কোনো দেশই ‘বিশ্ব বিচারক’ হতে পারে না: মাদুরোকে আটকের পর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া চীনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১২৯ টাইম ভিউ
কোনো দেশই ‘বিশ্ব বিচারক’ হতে পারে না: মাদুরোকে আটকের পর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া চীনের

যুক্তরাষ্ট্র ‘বিশ্বের বিচারক’ এর মতো কাজ করছে বলে অভিযোগ করেছেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং। ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে বন্দি করে নিউ ইয়র্কে বিচারের সম্মুখীন করার ঘটনার তীব্র সমালোচনা করে চীন এ কথা বলেছে।

রোববার বেইজিংয়ে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এক বৈঠকে ওয়াং ই সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের নাম না নিয়ে বলেন, ‘আমরা কখনোই বিশ্বাস করি না যে, কোনও দেশ বিশ্বের পুলিশ হিসেবে কাজ করতে পারে, কিংবা কোনও দেশ নিজেকে বিশ্বের বিচারক হিসেবে দাবি করবে সেটিও আমরা মেনে নেব না।’ খবর রয়টার্সের।শনিবার কারাকাসে ৬৩ বছর বয়সী মাদুরোকে চোখ বাঁধা ও হাতকড়া পরিয়ে আটকের ছবি বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করার পর এটিই ছিল চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রথম প্রতিক্রিয়া।

মাদুরোকে আটকের বৈধতা নিয়ে সোমবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়। কলম্বিয়ার অনুরোধে এবং চীন ও রাশিয়ার সমর্থনে ডাকা এই জরুরি বৈঠকে চীন যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানায়।

জাতিসংঘে চীনের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স সান লেই বলেন, ‘ইতিহাসের শিক্ষা আমাদের কঠোর সতর্কবার্তা দেয়। সামরিক পথ কোনো সমস্যার সমাধান নয় এবং শক্তির নির্বিচার ব্যবহার কেবল বড় সংকটের দিকেই নিয়ে যায়।’

বিশ্লেষকদের মতে, ল্যাটিন আমেরিকায় চীনের দীর্ঘদিনের হস্তক্ষেপ না করার নীতি এবং কূটনৈতিক কৌশলের জন্য এটি একটি বড় পরীক্ষা।

‘চায়না-গ্লোবাল সাউথ প্রজেক্ট’-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা এরিক ওল্যান্ডার বলেন, ‘চীন হয়ত এই মুহূর্তে ভেনেজুয়েলাকে সরাসরি কোনও বৈষয়িক সহায়তা দিতে পারবে না, তবে জাতিসংঘ এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর ফোরামে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে জনমত গঠনে বেইজিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

গত দুই দশকে ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলোকে তাইওয়ানের দিক থেকে সরিয়ে বেইজিংয়ের পক্ষে আনার ক্ষেত্রে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে চীন। বিশেষ করে ১৯৯৮ সালে হুগো শাভেজ ক্ষমতায় আসার পর ভেনেজুয়েলা হয়ে ওঠে ল্যাটিন আমেরিকায় বেইজিংয়ের সবথেকে কাছের মিত্র।

বেইজিং ভেনেজুয়েলার তেল শোধনাগার এবং অবকাঠামো খাতে বিপুল অর্থ ঢেলেছে। ২০২৪ সালের হিসাব অনুযায়ী, চীন ভেনেজুয়েলা থেকে প্রায় ১ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারের পণ্য কিনেছে, যার অর্ধেকই ছিল অপরিশোধিত তেল।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর