শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
যুদ্ধ বন্ধের চাপ বাড়ছে, মরিয়া ট্রাম্প এখন ইরানে হামলা চালালে ঘটতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয় শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ভুটানকে হারিয়ে সাফে শুভসূচনা বাংলাদেশের চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোর নিয়ে সরকার ইতিবাচক: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য আহত ঢাকা-পাবনা রুটে নতুন দুই আন্তঃনগর ট্রেন, উদ্বোধন ১৯ নভেম্বর আইইইএফএর প্রতিবেদন : এলএনজিতে বাড়ছে ভর্তুকির চাপ, বিনিয়োগ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা না পেলে বাংলাদেশে হারিয়ে যাবে পর্বতারোহণ: শাকিল একনেকে ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

খুলনায় রাত ৮টার পর দোকান-মার্কেট বন্ধের নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ৮ জুলাই, ২০২৪
  • ১১৪ টাইম ভিউ

খুলনায় প্রতিদিন রাত ৮টার পর দোকান ও মার্কেট বন্ধের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে সপ্তাহে দেড় দিন এসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতেও বলা হয়েছে।

রোববার (৭ জুলাই) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেয় খুলনার কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতর।

বিষয়টি নিশ্চিত করে খুলনা কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপমহাপরিদর্শক শান্তাজ বিল্লাহ বলেন, আইন অনুযায়ী এ কার্যক্রম চলবে। যারা আইন অমান্য করবেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খুলনা কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতরের উপমহাপরিদর্শক স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ এর ধারা ১১৪ (১) এর বিধান মোতাবেক সংশ্লিষ্ট প্রত্যেক দোকান বা বাণিজ্য বা শিল্প প্রতিষ্ঠান প্রতি সপ্তাহে অন্তত দেড় দিন সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। এছাড়া ধারা ১১৪(৩) এর বিধান মোতাবেক কোনো দোকান রাত ৮টার পরে খোলা রাখা যাবে না। শ্রম আইনের ১১৪ ধারার ৩ উপধারায় বলা হয়েছে, কোনো দোকান রাত ৮টার পর খোলা রাখা যাবে না। তবে কোনো গ্রাহক যদি ওই সময়ে কেনাকাটার জন্য দোকানে থাকেন, তাহলে ওই সময়ের আধাঘণ্টা পর পর্যন্ত তাকে কেনাকাটার সুযোগ দেওয়া যাবে। উল্লিখিত বিধান প্রতিপালনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।

এ বিষয়ে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতরের সহকারী মহাপরিদর্শক মো. শাহীনুর রহমান বলেন, প্রতিদিন রাত ৮টার পরে মার্কেট বন্ধ রাখা ও সপ্তাহে দেড় দিন বন্ধ রাখার বিষয়টি আমাদের আইনেই আছে। সবশেষ দপ্তরের সমন্বয় সভায় এ বিষয়টি বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিষয়টি ব্যাপক প্রচার প্রচারণার জন্য বলা হয়েছে। পাশাপাশি এই আইন বাস্তবায়নের জন্য আমাদের তদারকি থাকবে। কেউ আইন না মানলে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে শ্রম আদালতে মামলা করার সুযোগ আছে।

তিনি আরও বলেন, এ আইন সারা বছরের জন্য প্রযোজ্য। তবে বিদ্যুতের ক্রাইসিসের সময় বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর