শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যুদ্ধ বন্ধের চাপ বাড়ছে, মরিয়া ট্রাম্প এখন ইরানে হামলা চালালে ঘটতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয় শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ভুটানকে হারিয়ে সাফে শুভসূচনা বাংলাদেশের চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোর নিয়ে সরকার ইতিবাচক: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য আহত ঢাকা-পাবনা রুটে নতুন দুই আন্তঃনগর ট্রেন, উদ্বোধন ১৯ নভেম্বর আইইইএফএর প্রতিবেদন : এলএনজিতে বাড়ছে ভর্তুকির চাপ, বিনিয়োগ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা না পেলে বাংলাদেশে হারিয়ে যাবে পর্বতারোহণ: শাকিল একনেকে ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

গাজায় পূর্ণমাত্রার দুর্ভিক্ষ ঘোষণা জাতিসংঘের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ২২ আগস্ট, ২০২৫
  • ৬৩ টাইম ভিউ

গাজা সিটিতে পূর্ণমাত্রায় দুর্ভিক্ষ চলছে বলে ঘোষণা দিয়েছে জাতিসংঘ। এর জন্য দায়ী করা হয়েছে ইসরায়েলকে। সংস্থাটি বলছে, খাদ্য সহায়তা পৌঁছাতে নিয়মিত বাধা দেওয়ার কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

এএফপি ও আল জাজিরা জানিয়েছে, শুক্রবার এ ঘোষণা দেয় জাতিসংঘ। তবে এর প্রতিবাদ জানিয়ে ইসরায়েল বলেছে, গাজায় কোনো দুর্ভিক্ষ নেই। তারা দাবি করেছে, হামাসের মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

গাজায় দুর্ভিক্ষ চলা নিয়ে ঘোষণাটি দিয়েছেন জাতিসংঘ সমর্থিত খাদ্য নিরাপত্তার শ্রেণি সংক্রান্ত সমন্বিত কাঠামোর (আইপিসি) বিশ্লেষকরা। তারা বলেছেন, গাজায় ৫ লাখেরও বেশি মানুষ ক্ষুধার জালে আটকা পড়েছেন। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে দুর্ভিক্ষ দেইর আল বালাহ ও খান ইউনিসের ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আইপিসি গাজা সিটিতে খাদ্য সংকট বোঝাতে পর্যায়-৫ উল্লেখ করেছে। খাদ্য সংকট বোঝার এটি শেষ ধাপ। আইপিসির প্রতিবেদন নিয়ে শুক্রবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও (ডব্লিউএইচও) তাদের ওয়েবসাইটে একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করেছে।

জাতিসংঘের সহায়তা প্রধান টম ফ্লেচার বলেছেন, ‘এই দুর্ভিক্ষ প্রতিরোধযোগ্য ছিল। কিন্তু ইসরায়েলের বাধার কারণে খাবার পৌঁছানো যাচ্ছে না।’ আর জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান ফলকার টুর্ক বলেছেন, ‘যুদ্ধের অস্ত্র হিসেবে ক্ষুধা ব্যবহার করা যুদ্ধাপরাধের শামিল।’

চলমান পরিস্থিতিতে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস শান্তি প্রক্রিয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আমরা এই পরিস্থিতি আর চলতে দিতে পারি না।

জাতিসংঘের এই ঘোষণা এমন সময়ে এলো যখন ইসরায়েল পুরো উপত্যকা দখলে নিতে গাজা সিটিতে পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযানের প্রথম ধাপ শুরু করেছে। হামলার তীব্রতায় তাঁবুতে থাকা বিপন্ন ফিলিস্তিনিরা দিগ্বিদিক ছুটছেন। অন্তত ১০ লাখ মানুষ আবারও বাস্তুচ্যুতির ঝুঁকিতে আছেন।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর