শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যুদ্ধ বন্ধের চাপ বাড়ছে, মরিয়া ট্রাম্প এখন ইরানে হামলা চালালে ঘটতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয় শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ভুটানকে হারিয়ে সাফে শুভসূচনা বাংলাদেশের চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোর নিয়ে সরকার ইতিবাচক: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য আহত ঢাকা-পাবনা রুটে নতুন দুই আন্তঃনগর ট্রেন, উদ্বোধন ১৯ নভেম্বর আইইইএফএর প্রতিবেদন : এলএনজিতে বাড়ছে ভর্তুকির চাপ, বিনিয়োগ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা না পেলে বাংলাদেশে হারিয়ে যাবে পর্বতারোহণ: শাকিল একনেকে ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

তিন প্রাণঘাতী রোগের ওষুধ সরবরাহ বন্ধ করে দিচ্ছেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৮৩ টাইম ভিউ

এইচআইভি, ম্যালেরিয়া ও যক্ষ্মার মতো প্রাণঘাতী রোগের ওষুধ এবং নবজাতকদের জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রী সরবরাহ বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (ইউএসএআইডি) সমর্থিত দরিদ্র দেশগুলোতে এ সরবরাহ বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে রয়টার্সের হাতে আসা একটি নথিতে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) থেকে ইউএসএআইডি-এর সঙ্গে কাজ করা ঠিকাদার ও অংশীদার প্রতিষ্ঠানগুলো এমন নির্দেশনা পেতে শুরু করেছে। এর ফলে তাদের কার্যক্রম তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করতে হবে। সূত্র জানায়, ট্রাম্পের ২০ জানুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সব উন্নয়ন সহায়তা এবং অর্থায়ন সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে ও কার্যক্রমগুলো পুনর্মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

এমন একটি নথি চেমনিক্স নামের একটি বড় মার্কিন পরামর্শক প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন রোগের চিকিৎসার জন্য ওষুধ সরবরাহে ইউএসএআইডি-এর সঙ্গে কাজ করে।

এই নথিতে এইচআইভি, ম্যালেরিয়া, যক্ষ্মা, গর্ভনিরোধক এবং মাতৃ ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা সামগ্রী সরবরাহ বন্ধের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ইউএসএআইডি-এর একজন সূত্র এবং সংস্থাটির একজন সাবেক কর্মকর্তা রয়টার্সকে বিষয়টি জানিয়েছেন।

চলতি মাসের শুরুতে ইউএসএআইডি থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন এমন একজন কর্মকর্তা আতুল গাওয়ান্দে। তিনি বলেন, এটি একটি বিপর্যয়। দাতব্য সংস্থা থেকে প্রাপ্ত ওষুধ দিয়ে ২০ মিলিয়ন এইচআইভি আক্রান্ত মানুষ বেঁচে আছেন। এটি আজ থেকে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেমনিক্স ও ইউএসএআইডি রয়টার্সের মন্তব্যের অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেয়নি। গাওয়ান্দে বলেছেন, রোগের চিকিৎসায় বিঘ্ন ঘটলে রোগীরা অসুস্থ হয়ে পড়ার ঝুঁকিতে থাকবে। এইচআইভির ক্ষেত্রে ভাইরাস অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনাও বেড়ে যাবে। তিনি আরও জানান, অন্যান্য অংশীদার সংগঠনগুলোও নোটিশ পেয়েছে। যার ফলে তারা তাদের হাতে থাকা ওষুধ সরবরাহ করতে পারবে না বা ইউএসএআইডি অর্থায়িত ক্লিনিকগুলো চালু রাখতে পারবে না।

২৩টি দেশে ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন এতিম ও এইচআইভি আক্রান্ত দুর্বল শিশুদের জন্য কাজ করা সংস্থাগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে বলেও জানান তিনি।

২০ জানুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের দিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ৯০ দিনের জন্য বিদেশি উন্নয়ন সহায়তা স্থগিত করার নির্দেশ দেন। এ ছাড়া ইউএসএআইডির প্রায় ৬০ জন উচ্চপদস্থ কর্মীকে ছুটিতে পাঠানো হয়েছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর