মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সংসদ ভবনে সোলার প্যানেল স্থাপনের উদ্যোগ, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের সুপারিশ জাতীয় স্বার্থ সমুন্নত রাখতে কৌশলগত নেতৃত্ব তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির নোয়াখালীতে নতুন গ্যাসকূপের সন্ধান; মজুত ৯৭.৬৯ বিলিয়ন ঘনফুট বাড়লো যানবাহনে ব্যবহৃত গ্যাসের দামও, রাত ৮টা থেকে কার্যকর মানবসেবায় ৭ বার রক্ত দিয়েছেন জাইমা রহমান: স্বাস্থ্যমন্ত্রী টানা পতনের পর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি মিরপুরে শ্রমিক বিক্ষোভ ঘিরে ৪ মামলা, আসামি সাড়ে ১০ হাজার হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু যুদ্ধ বন্ধে খসড়া প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা, দোহা ছাড়লেন ইরানি প্রতিনিধিরা ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ আজ রাতে অন্ধ্র উপকূলে আঘাত হানতে পারে

দয়াগঞ্জে ট্রাফিক পুলিশ সহায়তাকারীর হামলায় জবি শিক্ষার্থী আহত, আটক ৪

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি:
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৬৮ টাইম ভিউ

বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাগুরাগামী একটি বাসের শিক্ষার্থীদের দয়াগঞ্জ মোড়ে ট্রাফিক পুলিশ সহায়তাকারীর হাতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শিক্ষার্থী হামলার শিকার হয়েছেন। পরে তিন শিক্ষার্থীকে পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে গিয়ে তাঁদের পুলিশ সদস্যদের সামনেই মারধর করা হয়। সোমবার (২৪ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে বাগবিতণ্ডার পর ট্রাফিক সহায়তাকারীরা শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। জানা যায়, এতে ২ জন গুরুতরসহ মোট ৫ জন আহত হন। তারা হলেন—তালহা জুবায়ের প্রিয়ম, আলামিন হোসেন, সোহাইল, মোহন, মোসাব্বির ও চৈতি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রথমে ট্রাফিক সহায়তাকারীরা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে গালিগালাজ করে। শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ করলে তাঁদের ওপর হামলা শুরু হয়। খবর পেয়ে শিক্ষার্থীরা দয়াগঞ্জ মোড়ে জড়ো হয়ে হামলাকারীদের বিচার দাবিতে স্লোগান দেন। পরে পুলিশ ফাঁড়ি থেকে একজন অভিযুক্তকে বের করা হলে পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে শিক্ষার্থীরা তাঁকে মারধর করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসতে গেলে কয়েকজন সহকারী প্রক্টর আহত হন। এরপর সেনাবাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে বাকি তিন অভিযুক্তকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

হামলার শিকার সিএসই বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তালহা জুবায়ের বলেন, “আমাদের বাস দয়াগঞ্জ মোড়ে ট্র্যাফিকে ছিল। আমাদের বাসের কিছু বড় ভাই ট্র্যাফিকে দায়িত্বে থাকা কয়েকজনকে বলেছিলেন বাসটি ছাড়তে। তারা বাস ছেড়ে দেওয়ার পর হঠাৎ বড় ভাইদের ওপর আক্রমণ করে। পরে আমরা বাস থেকে নেমে তাঁদের বাঁচাতে গেলে আমাদের ওপরও আক্রমণ চালায়। আমি গিয়ে দেখি আলামিন ভাইকে মারছে। ঠেকাতে গেলে আমাকেও মারে। তারা পুলিশের লাঠি নিয়ে আমাদের ওপর চড়াও হয়। পুলিশ তখন নীরব দর্শক ছিল।”

হামলার শিকার অ্যাকাউন্টিং বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আল আমিন হোসেন বলেন, “আমাকে সহ ৪/৫ জনকে তারা হামলা করে। কালো হুডি পরা এক ব্যক্তি পুলিশের লাঠি কেড়ে নিয়ে আমাদের মারধর করে। আমি, সোহান ভাই, সোহাইল, আলামিন, মিনু আপুসহ অনেকে হামলার শিকার হয়েছি। পুলিশ তখন নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে।”

জবি প্রক্টর অধ্যাপক মুহাম্মদ তাজাম্মুল হক বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ঘটনাটি জানার সঙ্গে সঙ্গে প্রক্টরিয়াল বডিকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছে। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করছি। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এ বিষয়ে ওয়ারী জোনের ডিসি (উপ-পুলিশ কমিশনার) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, “ঘটনার খবর পেয়ে আমরা ছুটে এসেছি। ঘটনায় যারা যেভাবে অভিযুক্ত, তদন্ত সাপেক্ষে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর