জর্দান প্রেসিডেন্ট ভবনের সামনে নিজ শরীরে আগুন দিয়েছেন এক যুবক। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে জর্দানের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর আকাবায় প্রেসিডেন্ট ভবনের বাইরে ওই ব্যক্তি নিজ শরীরে আগুন ধরিয়ে দেন। তবে মন্ত্রণালয় ঘটনাস্থল নির্দিষ্ট করে বলেনি। তবে কিছু সূত্র জানিয়েছে, ঘটনাটি সরকারি ভবনের বাইরেই ঘটেছিল।
মিডিল ইস্ট মনিটর ও জিবি নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিজের গায়ে আগুন দেওয়ার পর পরই নিরাপত্তা বাহিনীর এক সদস্য তাকে গুলি করে, এরপর উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আত্মহত্যার কারণ এখনো অজানা, তবে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা বলেছেন, তিনি গাজায় বোমা হামলা সত্বেও ইসরায়েলের প্রতি সরকারের সমর্থনের প্রতিবাদ করেছেন। তবে এ খবরের সত্যতা যাচাই করা যায়নি বলে মিডিল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এ ছাড়া এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষও আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেয়নি।
সোশ্যাল মিডিয়ার অনেক ব্যবহারকারী আত্নহত্যার কারণ হিসেবে জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়কেও দায়ী করেছে।
এর আগে ফিলিস্তিনে হামলার প্রতিবাদে ওয়াশিংটন ডিসিতে ইসরায়েলের দূতাবাসের বাইরে ২৫ বছর বয়সী এক মার্কিন সেনা ইউনিফর্ম পরিহিত অবস্থান নিজের গায়ে আগুন ধরিয়ে দিয়েছিল। পরে তার মৃত্যু হয়। তিনি গাজা যুদ্ধকে ‘গণহত্যা’ বলে অভিহত করেন এবং আত্মহননের ঘটনাটি ঘটান।
জর্দানে অনেক ফিলিস্তিনি নাগরিক বসবাস করেন এবং স্বাভাবিকভাবেই শান্তিপূর্ণ দেশে চলমান ইসরাইল-হামাস যুদ্ধের বিষয়ে নিয়মিত প্রতিবাদ করছেন। জর্দান এই অঞ্চলে ব্রিটেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র।
সূত্র : জিবি নিউজ, মিডিল ইস্ট আই