শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যুদ্ধ বন্ধের চাপ বাড়ছে, মরিয়া ট্রাম্প এখন ইরানে হামলা চালালে ঘটতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয় শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ভুটানকে হারিয়ে সাফে শুভসূচনা বাংলাদেশের চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোর নিয়ে সরকার ইতিবাচক: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য আহত ঢাকা-পাবনা রুটে নতুন দুই আন্তঃনগর ট্রেন, উদ্বোধন ১৯ নভেম্বর আইইইএফএর প্রতিবেদন : এলএনজিতে বাড়ছে ভর্তুকির চাপ, বিনিয়োগ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা না পেলে বাংলাদেশে হারিয়ে যাবে পর্বতারোহণ: শাকিল একনেকে ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

নেপালের প্রধানমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্ট বাসভবনে আগুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৫২ টাইম ভিউ

নেপালে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো চলমান সহিংস বিক্ষোভে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানী কাঠমান্ডুসহ বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভকারীরা অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর চালায়। এমনকি প্রেসিডেন্ট রাম চন্দ্র পৌদেল এবং প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির বাসভবনেও আগুন ধরিয়ে দেয়ার খবর পাওয়া গেছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, বিক্ষোভকারীরা প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবনে ঢুকে ভাঙচুর করে এবং অগ্নিসংযোগ চালায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, তারা ভবনের ভেতরে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং জানালা-দরজা ভাঙছে।

এছাড়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কমল দাহাল , শের বাহাদুর দেউবা এবং জ্বালানিমন্ত্রী দীপক খাড়কার বাড়িতেও হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে বলে জানানো হয়েছে।

এতদিন ধরে চলা আন্দোলনের ফলে সরকারের ওপর ব্যাপক চাপ তৈরি হয়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকজন মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন এবং অনেকেই সরকারের কার্যক্রম থেকে নিজেদের দূরে রাখছেন। এতে করে প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি সরকারের পতনের সম্ভাবনা বাড়ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

নেপালে অবস্থানরত ভারতীয় নাগরিকদের জন্য সতর্কতা জারি করেছে নয়াদিল্লি। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘আমরা নেপালের সাম্প্রতিক সহিংস ঘটনাগুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। বহু তরুণ প্রাণ হারিয়েছে- এতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। নিহতদের পরিবারের প্রতি আমাদের সমবেদনা এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।’

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ভারত ‘ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও প্রতিবেশী’ হিসেবে আশা করছে, নেপালের সব পক্ষ সংযম দেখাবে এবং শান্তিপূর্ণ উপায়ে সংলাপের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করবে।

প্রসঙ্গত, চলমান আন্দোলনের শুরু জেন-জি প্রজন্মের তরুণদের কিছু দাবি নিয়ে হলেও তা এখন বড় পরিসরে সরকারের বিরুদ্ধে অসন্তোষ ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের দাবিতে রূপ নিয়েছে। সূত্র: এনডিটিভি

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর