শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০১:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যুদ্ধ বন্ধের চাপ বাড়ছে, মরিয়া ট্রাম্প এখন ইরানে হামলা চালালে ঘটতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয় শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ভুটানকে হারিয়ে সাফে শুভসূচনা বাংলাদেশের চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোর নিয়ে সরকার ইতিবাচক: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য আহত ঢাকা-পাবনা রুটে নতুন দুই আন্তঃনগর ট্রেন, উদ্বোধন ১৯ নভেম্বর আইইইএফএর প্রতিবেদন : এলএনজিতে বাড়ছে ভর্তুকির চাপ, বিনিয়োগ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা না পেলে বাংলাদেশে হারিয়ে যাবে পর্বতারোহণ: শাকিল একনেকে ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরের সন্দেহভাজন মাদকবাহী নৌযানে মার্কিন হামলা, নিহত ৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৬৩ টাইম ভিউ
পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরের সন্দেহভাজন মাদকবাহী নৌযানে মার্কিন হামলা, নিহত ৩

প্রশান্ত মহাসাগরের পূর্বাঞ্চলে লাতিন আমেরিকার উপকূলে সন্দেহভাজন মাদকবাহী এক নৌযানে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। এতে অন্তত তিনজন নিহত হয়েছে। শুক্রবার এক্স এ এক পোস্টে মার্কিন বাহিনী বাহিনী দাবি করেছে, আঘাত হানা নৌযানটি ‘মাদক পাচার কার্যক্রমে নিয়োজিত’ ছিল।রয়টার্স জানিয়েছে, তারা তাৎক্ষণিকভাবে এই দাবির সত্যতা যাচাই করতে পারেনি।

প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন কয়েক মাস ধরে পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগর ও ক্যারিবীয় সাগরে সন্দেহভাজন মাদক পাচারকারী নৌযানগুলোর বিরুদ্ধে একের পর এক ‘সফল অভিযান’ পরিচালনার দাবি করে আসছে।

ট্রাম্পের এক মাদকবিরোধী সামরিক অভিযানের অংশ হিসেবে ভেনেজুয়েলার কাছে ক্যারিবীয় সাগর ও লাতিন আমেরিকার পশ্চিম উপকূলের প্রশান্ত মহাসাগরে সেপ্টেম্বর থেকে এ পর্যন্ত ৪০টিরও বেশি নৌযানে আঘাত হেনেছে মার্কিন বাহিনী। তাদের এসব হামলায় ১৩০ জনেরও বেশি সন্দেহভাজন মাদক পাচারকারী নিহত হয়েছে।

ট্রাম্পের অভিযোগ, ওই অঞ্চল থেকে চোরাচালান হয়ে আসা মাদকে অনেক মার্কিন নাগরিকের মৃত্যু হচ্ছে।

তবে জানুয়ারির প্রথমদিকে মার্কিন বাহিনী ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর থেকে এসব হামলার ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে। মাদুরো মাদক পাচারকারী গোষ্ঠীগুলোকে সমর্থন যোগাচ্ছিলেন বলে অভিযোগ মার্কিন প্রশাসনের।

যেসব নৌযানে তারা হামলা চালিয়েছে সেগুলো সত্যিই মাদক বহন করছিল কি না, এ পর্যন্ত এমন কোনো প্রমাণ হাজির করেনি মার্কিন প্রশাসন।

এসব হামলার আইনি বৈধতা আছে বলে দাবি করে আসছে ট্রাম্প প্রশাসন। কিন্তু অনেক আইন বিশেষজ্ঞ এসব ঘটনাকে ‘বেআইনি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড’ বলে অভিহিত করেছেন।.

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর