শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যুদ্ধ বন্ধের চাপ বাড়ছে, মরিয়া ট্রাম্প এখন ইরানে হামলা চালালে ঘটতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয় শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ভুটানকে হারিয়ে সাফে শুভসূচনা বাংলাদেশের চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোর নিয়ে সরকার ইতিবাচক: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য আহত ঢাকা-পাবনা রুটে নতুন দুই আন্তঃনগর ট্রেন, উদ্বোধন ১৯ নভেম্বর আইইইএফএর প্রতিবেদন : এলএনজিতে বাড়ছে ভর্তুকির চাপ, বিনিয়োগ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা না পেলে বাংলাদেশে হারিয়ে যাবে পর্বতারোহণ: শাকিল একনেকে ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

প্রথমবারের মতো পারমাণবিক সাবমেরিনের ছবি প্রকাশ উত্তর কোরিয়ার

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৫৩ টাইম ভিউ
প্রথমবারের মতো পারমাণবিক সাবমেরিনের ছবি প্রকাশ উত্তর কোরিয়ার

প্রথমবারের মতো ‘পারমাণবিক শক্তিচালিত’ সাবমেরিনের ছবি প্রকাশ করেছে উত্তর কোরিয়া। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, নেতা কিম জং উন একটি বিশাল গাইডেড-মিসাইল সাবমেরিন পরিদর্শন করছেন। সাবমেরিনটি একটি অভ্যন্তরীণ নির্মাণ স্থাপনায় রাখা হয়েছে, যা থেকে ধারণা করা হচ্ছে—এটি এখনো পানিতে নামানো হয়নি।

বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সিএনএনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

উত্তর কোরিয়ার দাবি অনুযায়ী, সাবমেরিনটির ওজন বা ডিসপ্লেসমেন্ট প্রায় ৮,৭০০ টন, যা মার্কিন নৌবাহিনীর ভার্জিনিয়া শ্রেণির পারমাণবিক শক্তিচালিত আক্রমণ সাবমেরিনগুলোর সমতুল্য। চলতি বছরের মার্চে প্রথমবার এই সাবমেরিনের অস্তিত্বের কথা জানানো হয়েছিল।

পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন নির্মাণ কিম জং উনের দীর্ঘদিনের লক্ষ্য। তিনি ২০২১ সালে ক্ষমতাসীন দলের কংগ্রেসে প্রথম এ পরিকল্পনার কথা প্রকাশ করেন। বিশ্লেষকদের মতে, দক্ষিণ কোরিয়াকে পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন তৈরির অনুমতি দেওয়ায় পিয়ংইয়ংয়ের এই কর্মসূচিতে নতুন করে গতি এসেছে।

পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিনের বড় সুবিধা হলো—এগুলো দীর্ঘ সময় পানির নিচে থাকতে পারে, বেশি গতিসম্পন্ন এবং অনেক ক্ষেত্রে প্রচলিত ডিজেলচালিত সাবমেরিনের তুলনায় কম শব্দ সৃষ্টি করে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও ভারত এই প্রযুক্তির অধিকারী।

উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ জানায়, কিম জং উন বলেছেন, দেশের প্রতিরক্ষা নীতি ‘সবচেয়ে শক্তিশালী আক্রমণাত্মক ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে’ গড়ে তোলা হয়েছে। তার মতে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শক্তিশালী আক্রমণাত্মক সামর্থ্যই সবচেয়ে কার্যকর ঢাল।

কিম দক্ষিণ কোরিয়ার পারমাণবিক সাবমেরিন নির্মাণ উদ্যোগকে উত্তর কোরিয়ার নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেন এবং একে মোকাবিলার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন।

২০২১ সালে ঘোষিত পাঁচ বছর মেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে উত্তর কোরিয়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, হাইপারসনিক গ্লাইড যান, নতুন গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার এবং পারমাণবিক সাবমেরিনসহ নানা আধুনিক অস্ত্র ব্যবস্থা উন্নয়নে জোর দিচ্ছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর