শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
যুদ্ধ বন্ধের চাপ বাড়ছে, মরিয়া ট্রাম্প এখন ইরানে হামলা চালালে ঘটতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয় শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ভুটানকে হারিয়ে সাফে শুভসূচনা বাংলাদেশের চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোর নিয়ে সরকার ইতিবাচক: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য আহত ঢাকা-পাবনা রুটে নতুন দুই আন্তঃনগর ট্রেন, উদ্বোধন ১৯ নভেম্বর আইইইএফএর প্রতিবেদন : এলএনজিতে বাড়ছে ভর্তুকির চাপ, বিনিয়োগ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা না পেলে বাংলাদেশে হারিয়ে যাবে পর্বতারোহণ: শাকিল একনেকে ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

যুক্তরাষ্ট্র সামরিক অভিযান চালালে ‘রক্তবন্যা’ বয়ে যাবে: কিউবা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬
  • ৯২ টাইম ভিউ
যুক্তরাষ্ট্র সামরিক অভিযান চালালে 'রক্তবন্যা' বয়ে যাবে: কিউবা

যুক্তরাষ্ট্র কিউবার বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালালে দেশে ‘রক্তবন্যা’ বয়ে যাবে বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগেল দিয়াজ-কানেল। সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় এমন মন্তব্য করেন তিনি। দুই দেশের সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তবে বর্তমান পরিস্থিতিকে বিশ্লেষকরা ‘অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি নাজুক’ বলে মনে করছেন। মঙ্গলবার (১৯ মে) বার্তা সংস্থা এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক নীতিগত অবস্থান ও আঞ্চলিক কৌশলকে কেন্দ্র করে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে কিউবার ড্রোন সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ ওয়াশিংটনের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর মধ্যে অস্বস্তি সৃষ্টি করেছে। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কিউবাকে সম্ভাব্য ‘হুমকি’ হিসেবে বিবেচনা করছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের আশঙ্কা, গুয়ান্তানামো বে ও ফ্লোরিডার মতো এলাকায় কিউবা ড্রোন হামলা চালাতে পারে।

এক্স (সাবেক টুইটার)–এ দেওয়া এক বার্তায় মিগেল দিয়াজ-কানেল বলেন, কিউবা কোনো দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসী পরিকল্পনা করে না এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধেও কোনো হামলার ইচ্ছা তাদের নেই। তিনি আরও বলেন, সামরিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর পূর্ণ অধিকার কিউবার আছে।

একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, কিউবা দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের ‘বহুমাত্রিক আগ্রাসনের’ শিকার। প্রতিবেদনে বলা হয়, দীর্ঘ নিষেধাজ্ঞার কারণে কিউবা বর্তমানে গুরুতর জ্বালানি সংকটে রয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রয়োজনীয় উপকরণ আমদানি ব্যাহত হওয়ায় দেশটিতে ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিচ্ছে।

সম্প্রতি নতুন করে কয়েকজন কিউবান কর্মকর্তা ও সংস্থার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ওয়াশিংটন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক শিপিং কোম্পানিগুলোর কিউবামুখী পণ্য পরিবহনও সীমিত হচ্ছে, যা দেশটির খাদ্য নিরাপত্তার ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদি সামরিক সংঘাত শুরু হয়, তাহলে কিউবার মানবিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। বিশেষ করে খাদ্য ও জ্বালানি সংকট আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা অব্যাহত থাকলেও পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেবে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর