উজান থেকে আসা বন্যার পানিতে বৃদ্ধি পেয়েছে মানিকগঞ্জের হরিরামপুর পদ্মা নদীর পানি। প্রবল স্রোত আর ঢেউয়ের কারণে আন্ধারমানিক, খালপাড়, দাসকান্দি, ভাওয়ারডাঙি, দড়িকান্দিসহ উপজেলার বিভিন্ন নদী তীরবর্তী এলাকায় শুরু হয়েছে তীব্র ভাঙন।
জানা গেছে, উপজেলার বেশিরভাগ পদ্মা তীরবর্তী এলাকায় জিও ব্যাগ দ্বারা নদী শাসনের কাজ করলেও বিভিন্ন স্থানে জিও ব্যাগ ধসে গেছে। বিশেষ করে আন্ধারমানিক, খালপাড় এলাকায় গত তিনদিনে প্রায় দুইশত মিটার এলাকায় জিও ব্যাগে ধস নামায় হুমকির মধ্যে পড়েছে তীরবর্তী শতশত পরিবার।
স্থানীয়দের অভিযোগ, জিও ব্যাগ ছিদ্র করে নৌকা, বাল্কহেড, নোঙর করা আর জেলেদের জাল পাতার কারণেই এসব এলাকা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে । ফলে পদ্মা নদীর অতি নিকটে ১০০ মিটারের মধ্যে আন্ধারমানিক বাজার, মসজিদ, মাদ্রাসা, প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয়, হরিরামপুর থানা এবং উপজেলা সরকারি-বেসরকারি অফিসগুলো হুমকির মুখে পড়েছে।
স্থানীয়রা জানান, নদীর স্রোতে আর ঢেউয়ের কারণে দুই থেকে আড়াইশ মিটার এলাকা জিও ব্যাগসহ ধসে নদীতে চলে গেছে। আন্ধারমানিক বাজারটি যেকোনো সময় বিলীনের শঙ্কা রয়েছে। এছাড়া প্রতিবছরই বন্যার সময় ভাঙনের শিকার হয় এই এলাকাগুলো। অতি দ্রুত ভাঙন রোধে ব্যবস্থা না নিলে পঁচিশটি পরিবারের বাড়িঘর পদ্মায় বিলীন হয়ে যাবে। সরকার এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন স্থানীয়রা।
তারা আরও জানান, পুরো নদী তীরবর্তী এলাকায় ভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা না নিলে এলাকাবাসী আন্দোলনে নামবে, প্রয়োজনে উপজেলা ঘেরাও কর্মসূচি দেওয়া হবে।