আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মেয়ের হাত-পা বাঁধা ছবি পাঠানো হয় বাবার কাছে। অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে ৩০ লাখ রুপি। উপায় না দেখে পুলিশের কাছে ছুটে যান বাবা। কিন্তু পুলিশ তদন্ত শুরু করলে সামনে আসে অন্য এক কাহিনি।
ওই তরুণীর বাবা অভিযোগে আরো বলেন, তাঁর মেয়েকে অপহরণ করা হয়েছে এবং মুক্তিপণ হিসেবে ৩০ লাখ রুপি দাবি করা হয়েছে। কোটা পুলিশ পরে জানায়, ওই মেয়েকে কেউ অপহরণ করেনি বলে প্রাথমিক তদন্ত থেকে জানা যায়। ২১ বছরের ওই তরুণী তাঁর অপহরণের মিথ্যা ঘটনা সাজিয়েছিলেন।
কোটার পুলিশ সুপার অমৃতা দুহান বলেছেন, ‘এখন পর্যন্ত তদন্তে যে প্রমাণ পাওয়া গেছে তাতে দেখা যাচ্ছে, মেয়েটির বিরুদ্ধে কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়নি এবং কোনো অপহরণের ঘটনাও ঘটেনি।