শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মরিশাসে ভারী কাচের বাক্স চাপায় তিন বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য বিভ্রান্তিকর ও অসত্য দাবি করে নিন্দা জামায়াতের জামায়াতকে রুখে দিতে না পারলে দেশে আরও একটি বিপর্যয় হবে: নুর আওয়ামী লীগ ও সহযোগীদের উসকানিতেই পোশাকশিল্পে অস্থিরতা: রিজভী টেকনাফের পাহাড়ে ৩ মরদেহ, উদ্ধারে যৌথবাহিনীর অভিযান অব্যাহত ৭ নভেম্বরের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের তারিখ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বৈরাচার আওয়ামী লীগকে এ দেশে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজধানীতে যাত্রীবাহী বাসে আগুন ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৫৩৫

জিম্মিদের মুক্তি না দিলে কোনো শান্তি চুক্তি নয় : ইসরায়েল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ৩১ মে, ২০২৪
  • ১১৮ টাইম ভিউ

হামাসের হাতে আটক জিম্মিদের মুক্তি দিলেই কেবল গাজা ইস্যুতে শান্তি চুক্তিতে আসার ব্যাপারটি বিবেচনা করবে ইসরায়েল। শুক্রবার (৩১ মে) দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনীর এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৩০ মে) এক বিবৃতিতে হামাস জানায়েছে, গাজায় যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত আর কোনো আলোচনায় অংশ নিতে রাজি নয় তারা। তবে ইসরায়েল যদি গাজায় সামরিক অভিযান বন্ধ করে, তাহলে সব জিম্মিকে ছেড়ে দেওয়ার পাশাপাশি স্থায়ী শান্তি চুক্তির জন্য প্রস্তুত রয়েছে তারা।

বিবৃতিতে হামাস আরো বলেছে, ‘গাজায় আমাদের জনগণ, পরিবার-পরিজনদের ওপর গণহত্যা চলছে। যারা বেঁচে আছে, তারা প্রতিদিন আগ্রাসন, দুর্ভিক্ষ ও দখলদারিত্বের শিকার হচ্ছে। হামাস ও ফিলিস্তিনের অন্যান্য নেতৃস্থানীয় বিভিন্ন গোষ্ঠী মনে করে, এই পরিস্থিতিতে গাজায় যুদ্ধবিরতির আলোচনায় হামাসের অংশগ্রহণ সার্বিক অবস্থার কোনো পরিবর্তন ঘটাতে সক্ষম হবে না।’

‘আমরা আমাদের মধ্যস্থতাকারীদের জানিয়ে দিয়েছি, যদি দখলদার বাহিনী গাজায় আগ্রাসন বন্ধ করে, তাহলে গাজা ইস্যুতে একটি সম্পূর্ণ শান্তি চুক্তির জন্য আমরা প্রস্তুত।

এই চুক্তিতে জিম্মিদের মুক্তি দেওয়া নিয়ে বিস্তৃত সমঝোতাও যোগ হবে,’ হামাস জানায়।
হামসের এই বিবৃতির প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েলের অবস্থান স্পষ্ট করেন ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘সবার আগে জিম্মিদের মুক্তি দিতে হবে। না হয় গাজায় অভিযান থামবে না, কোনো চুক্তিও হবে না।’

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, এক সপ্তাহেরও বেশি সময় আগে থেকে গাজার দক্ষিণ সীমান্ত শহর রাফায় অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েলি বাহিনী।

লাখ লাখ বেসামরিক ফিলিস্তিনি শহরটিতে অবস্থান করছেন। গাজার বিভিন্ন এলাকায় গত প্রায় ৮ মাস ধরে ইসরায়েলি বাহিনীর চলমান অভিযানের ভয়াবহতা থেকে বাঁচতে রাফায় এসে আশ্রয় নিয়েছেন এসব ফিলিস্তিনিরা।
সম্প্রতি জাতিসংঘের অন্যতম অঙ্গপ্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক বিচার আদালত রাফায় ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযান বন্ধের আদেশ দিয়ে রায় দিয়েছে। কিন্তু সেই রায় উপেক্ষা করে সেখানে সেনা অভিযান অব্যাহত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। কিছুদিন আগে রাফায় ইসরায়েলি বাহিনীর বোমায় ৪০ জনেরও বেশি বেসামরিক ফিলিস্তিনির মৃত্যু হয়েছে।

ওই ঘটনার পর থেকে বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা চলছে। এ ঘটনার পর গাজায় যুদ্ধবিরতি ইস্যুতে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল হামাস-ইসরায়েল। হামাস চাইছে আগে শান্তি চুক্তি, পরে জিম্মিদের মুক্তি। অন্যদিকে ইসরায়েল চাইছে আগে জিম্মিদের মুক্তি, পরে শান্তি চুক্তি।

গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলি ভূখণ্ডে ঢুকে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে অন্তত ১২০০ জনকে হত্যার পাশাপাশি ২৪২ জনকে জিম্মি হিসেবে ধরে গাজায় নিয়ে এসেছিল হামাস যোদ্ধারা। অতর্কিত সেই হামলার জবাবে সেই দিন থেকেই গাজায় অভিযান শুরু করে ইসরায়েল, যা এখনও চলমান। গত প্রায় আটমাস ধরে চলমান এই ভয়াবহ অভিযানে এ পর্যন্ত ৩৬ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনির মৃত্যু হয়েছে। যা পুরো উপত্যকাকে ধ্বংস্তূপে পরিণত করেছে।

সূত্র : রয়টার্স

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর