শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য বিভ্রান্তিকর ও অসত্য দাবি করে নিন্দা জামায়াতের জামায়াতকে রুখে দিতে না পারলে দেশে আরও একটি বিপর্যয় হবে: নুর আওয়ামী লীগ ও সহযোগীদের উসকানিতেই পোশাকশিল্পে অস্থিরতা: রিজভী টেকনাফের পাহাড়ে ৩ মরদেহ, উদ্ধারে যৌথবাহিনীর অভিযান অব্যাহত ৭ নভেম্বরের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের তারিখ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বৈরাচার আওয়ামী লীগকে এ দেশে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজধানীতে যাত্রীবাহী বাসে আগুন ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৫৩৫ কলেজের অধ্যক্ষকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, শিক্ষার্থীদের ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

বিমান দুর্ঘটনায় অ্যাপোলো-৮ এর নভোচারী নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৮ জুন, ২০২৪
  • ৮৮ টাইম ভিউ

১৯৬৮ সালে অ্যাপোলো-৮ মহাকাশযানের সদস্য উইলিয়াম অ্যান্ডার্স ৯০ বছর বয়সে বিমান দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, একটি ছোট বিমান ওয়াশিংটনের সিয়াটলের উত্তরে সান হুয়ান দ্বীপপুঞ্জে বিধ্বস্ত হয়ে অ্যান্ডার্স মারা গেছেন। বিমানটি তিনি নিজেই চালাচ্ছিলেন।

নাসার নভোচারী উইলিয়াম অ্যান্ডার্সের ছেলে গ্রেগরি অ্যান্ডার্স গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন।

পরিবারের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আমাদের পরিবারটি এখন বিধ্বস্ত অবস্থায় আছে। তিনি একজন দুর্দান্ত পাইলট ছিলেন। তাকে খুব মনে পড়বে আমাদের।’
স্থানীয় সময় বেলা ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে পুরনো মডেলের একটি ছোট বিমান জোন্স আইল্যান্ডের উত্তর প্রান্তের কাছে পানিতে পড়ে ডুবে যাওয়ার খবর পাওয়া যায়।

সান হুয়ান কাউন্টি পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে ডুবুরিদল ঘটনাস্থলে বিধ্বস্ত বিমানটির অনুসন্ধান শুরু করে। যুক্তরাষ্ট্রের কোস্ট গার্ড জানায়, বিকেলে অনুসন্ধান চালিয়ে অ্যান্ডার্সের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ইউএস ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড (এনটিএসবি) জানিয়েছে, ৯০ বছর বয়সী এই ব্যক্তি একটি বিচক্র্যাফ্ট এ এ ৪৫ উড়াচ্ছিলেন। এটি টি-৩৪ নামেও পরিচিত।

সংস্থাটি বলেছে, বিমানটি জোন্স দ্বীপের উপকূল থেকে প্রায় ৮০ ফুট (২৫ মিটার) দূরে বিধ্বস্ত হয়েছে।
অ্যান্ডার্সের জন্ম ১৯৩৩ সালের ১৭ অক্টোবর হংকংয়ে। ১৯৫৫ সালে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নেভাল একাডেমি থেকে স্নাতকের পর নৌবাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত হন। অ্যান্ডার্স ক্যালিফোর্নিয়া এবং আইসল্যান্ডের এয়ার ডিফেন্স কমান্ডের অল-ওয়েদার ইন্টারসেপশন স্কোয়াড্রনে ফাইটার পাইলট হিসেবেও কাজ করেছেন।

১৯৬৪ সালে নাসার নভোচারী হিসেবে নির্বাচিত হন তিনি এবং ১৯৬৬ সালে জেমিনি-১১ মিশন এবং ১৯৬৯ সালে অ্যাপোলো-১১ ফ্লাইটের ব্যাকআপ পাইলট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

মহাকাশযান থেকে অ্যান্ডার্স ১৯৬৮ সালের বড় দিনের সময় অ্যাপোলো-৮ উড্ডয়নের সময় পৃথিবীর অগ্রভাগে চাঁদের পৃষ্ঠের একটি বিশ্ববিখ্যাত ছবি তুলেছিলেন। ছবিটির শিরোনাম ছিল ‘আর্থরাইজ’। অ্যান্ডার্সের বিখ্যাত উক্তি, ‘আমরা চাঁদ অন্বেষণ করতে এত দূর এসেছি এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আমরাই পৃথিবী আবিষ্কার করেছি।’

অ্যান্ডার্স ১৯৬৯ থেকে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত ন্যাশনাল অ্যারোনটিক্স অ্যান্ড স্পেস কাউন্সিলের নির্বাহী সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৭০-এর দশকে এক বছর নরওয়েতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তবে তিনি অ্যাপোলো ৮ মিশন এবং মহাকাশ থেকে তোলা আইকনিক ফটোগ্রাফের জন্য সবচেয়ে বেশি স্মরণীয়।

অ্যান্ডার্সের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে নাসার প্রশাসক বিল নেলসন শুক্রবার এক্স-এ এক পোস্টে বলেন, ‘অ্যান্ডার্স মানুষের জন্য চমৎকার উপহার দিয়ে গেছেন। তিনি চাঁদের নিকটবর্তী স্থানে উড্ডয়নের সময় কিছু অসাধারণ ছবি তুলেছেন। যা একজন নভোচারীর কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ।’

সূত্র : বিবিসি

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর