শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
টেকনাফের পাহাড়ে ৩ মরদেহ, উদ্ধারে যৌথবাহিনীর অভিযান অব্যাহত ৭ নভেম্বরের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের তারিখ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বৈরাচার আওয়ামী লীগকে এ দেশে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজধানীতে যাত্রীবাহী বাসে আগুন ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৫৩৫ কলেজের অধ্যক্ষকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, শিক্ষার্থীদের ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম হঠাৎ বুকব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি শ্রমমন্ত্রী! হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪ জনের মৃত্যু বিএনপি গায়ের জোরে বেশিদিন ক্ষমতায় থাকতে পারবে না: নাহিদ ইসলাম

ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১০ জুলাই, ২০২৪
  • ১০০ টাইম ভিউ

প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ৪৫ জন। নিখোঁজদের সন্ধানে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

রবিবার (৭ জুলাই) সকালে দেশটির সুলাওয়েসি দ্বীপের একটি অবৈধ স্বর্ণের খনিতে এই ভূমিধস শুরু হয়। এতে খনিশ্রমিক এবং আশপাশে বসবাসকারীরা চাপা পড়ে। জেলাটি রাজধানী জাকার্তা থেকে দুই হাজার কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত।

সোমবার পর্যন্ত ১১ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়, সেইসাথে নিখোঁজ ছিলেন আরো ১৯ জন। তবে মঙ্গলবার পর্যন্ত মোট ২৩ জনের লাশ উদ্ধার করেন উদ্ধারকারীরা। সংস্থাটির তথ্যানুসারে, ৬৬ জন ভূমিধস থেকে বেঁচে যায়। উদ্ধারকারীরা ২৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করেন, যার মধ্যে ১৮ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া মোট ২৩ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে, যার মধ্যে তিনজন নারী এবং ৪ বছর বয়সী একটি শিশু রয়েছে। এ ঘটনায় নিখোঁজ রয়েছেন আরো প্রায় ৩৫ জন।

উদ্ধার অভিযান চালানো সংস্থার এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেছেন, এখন পর্যন্ত ৬৬ জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ভারী কাদার কারণে উদ্ধারকারীদের বিপর্যয়ের জায়গায় পৌঁছানোর জন্য ২০ কিলোমিটারের বেশি পথ হেঁটে পাড়ি দিতে হয়েছে। এ কারণে উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হচ্ছে।

ন্যাশনাল ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট এজেন্সির মুখপাত্র আবদুল মুহারি বলেন, শনিবার থেকে প্রবল বৃষ্টিপাতের ফলে একটি বাঁধও ভেঙে গেছে, যার ফলে বোন বোলাঙ্গোর পাঁচটি গ্রামে ৩ মিটার (১০ ফুট) পর্যন্ত বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে প্রায় ৩০০ বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা থেকে সহস্রাধিক বাসিন্দাকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

দেশটিতে প্রায়ই ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। দেশটির প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে বন উজাড় ও ছোট আকারের অবৈধ খনির কার্যক্রম পরিচালনার কারণে ভূমিধসের ঝুঁকি প্রতিনিয়ত বাড়ছে। আশঙ্কার বিষয় হলো, প্রত্যন্ত এসব অঞ্চলে প্রশাসনের নাগাল খুব একটা নেই।

ইন্দোনেশিয়ায় নিবন্ধনহীন ৮ হাজার ৬শর বেশি খনি রয়েছে। এর মধ্যে এক-চতুর্থাংশের বেশি স্বর্ণ খনি। এর আগে, গত মে মাসে দেশটির পশ্চিম সুমাত্রা প্রদেশে ভারী বৃষ্টির পর আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে ৫০ জনেরও বেশি মানুষ মারা যায়।

দেশটির সর্বশেষ বড় খনি দুর্ঘটনা ঘটে ২০২২ সালের এপ্রিলে। উত্তর সুমাত্রার ম্যান্ডেলিং নাটাল জেলায় একটি অবৈধ ঐতিহ্যবাহী স্বর্ণের খনিতে ভূমিধস হলে সেখানে ১২ জন নারী শ্রমিক নিহত হন। এর আগে, ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে উত্তর সুলাওয়েসি প্রদেশের একটি অবৈধ স্বর্ণের খনিতে অস্থায়ী কাঠের কাঠামোর মাটি সরে যায় এবং বিপুল সংখ্যক গর্তের কারণে মাটি ধসে পড়ে। ওই ঘটনায় ৪০ জনেরও বেশি মানুষ মাটিচাপা পড়ে মারা গিয়েছিল।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর